শনিবার রাতে প্যারিসের স্তাদে দ্য ফ্রান্স
স্টেডিয়ামে লিভারপুলকে ১-০ গোলে হারিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতে নেয়
রিয়াল মাদ্রিদ। এটা মাদ্রিদ জায়ান্টদের ১৪তম ইউরোপিয়ান শিরোপা, আর অষ্টম উয়েফা
চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা। দলের এই অর্জনে সমৃদ্ধ হয়েছে কয়েকজন খেলোয়াড়ের শোকেসও।
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো রিয়ালের হয়ে চারটি ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে একটি
চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতেছেন। শনিবার শিরোপায় রোনালদোকে ছুঁয়ে ফেলেন রিয়ালের
করিম বেনজেমা, দানি কারবাহাল ও লুকা মডরিচ।
ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে পাঁচটি
চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জয়ের কীর্তি গড়েন রোনালদো। ২০০৮ সালে তিনি ম্যানইউর হয়ে
প্রথম মহাদেশীয় শিরোপার স্বাদ পান। এরপর রিয়ালের জার্সিতে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন
২০১৪, ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে।
শনিবার পাঁচ শিরোপাজয়ীদের অভিজাত ক্লাবে ঢুকে পড়েন রোনালদোর সাবেক সতীর্থ বেনজেমা, কারবাহাল ও মডরিচ।
রিয়ালের মিডফিল্ডার টনি ক্রুস ও কাসেমিরোও
পাঁচটি করে চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতেছেন,
যদিও তারা দুটিতে ফাইনাল না খেলায় প্রকৃতপক্ষে তাদের নামের পাশে লেখা হচ্ছে
চারটি শিরোপা। ক্রুস ২০১৩ সালে ও কাসেমিরো ২০১৪ সালের ফাইনালে খেলেননি চোটের
কারণে। আবার ভাগ্যবিড়ম্বিত গ্যারেথ বেল,
ইসকো ও মার্সেলো চারটি করে ফাইনাল জিতলেও ২০২২ আসরে ছিলেন বেঞ্চে। ফলে
রোনালদোদের অভিজাত ক্লাবে তাদের নামটি অন্তর্ভুক্ত হলো না।
তাদের আরেক সতীর্থ নাচো রিয়ালের পাঁচটি
শিরোপাজয়ী স্কোয়াডে থাকলেও ফাইনাল খেলেছেন শুধু ২০১৮ সালে।
এছাড়া বেশ কিছু খেলোয়াড় চারটি শিরোপা জিতলেও
তারা শুধু তিনটি ফাইনালে অংশ নিয়েছেন। এরা হলেন—লিওনেল মেসি, জেরার্ড পিকে, রাফায়েল ভারানে ও জাভি হার্নান্দেজ।
রিয়ালের লুকাস ভাজকেজ চারটি শিরোপাজয়ী দলের
স্কোয়াডে থাকলেও ফাইনাল খেলেছেন শুধু ২০১৬ ও ২০২২ সালে। ম্যাতেও কোভাচিচ চারটি
চ্যাম্পিয়ন মেডেল পেলেও শুধু একবার ফাইনাল খেলেছেন।
বেনজেমা,
রোনালদোরা পাঁচটি করে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতলেও সর্বোচ্চ ইউরোপিয়ান কাপজয়ী
খেলোয়াড় ফ্রান্সিসকো গেন্টো। রিয়াল মাদ্রিদের এই কিংবদন্তি খেলোয়াড় ১৯৫৬ থেকে ১৯৬৬
সালের মধ্যে ছয়বার ইউরোপিয়ান কাপ জয়ের কৃতিত্ব দেখান। রিয়ালের বর্তমান দলের কেউ
হয়তো ভবিষ্যতে ছুঁয়ে ফেলবেন গেন্টোকে। উয়েফা ডটকম।










