বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে খেলা শুরুর আগে নিয়মমাফিক জাতীয় সংগীত গায়নি ইরান দলের ফুটবলাররা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ইরানে পুলিশি হেফাজতে এক নারীর মৃত্যুর ঘটনায় চলা বিক্ষোভের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেই জাতীয় সংগীত গাওয়া থেকে বিরত ছিলেন তারা। এ নিয়ে বিস্তর আলোচনার পর আজ শুক্রবার আহমাদ বিন আলী স্টেডিয়ামে ওয়েলসের বিপক্ষে খেলার শুরুতে আর নীরব থাকেননি ইরান দলের ফুটবলাররা। এবার তারা জাতীয় সংগীত গেয়েছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।
এর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে জাতীয় সংগীত না গাওয়ায় গ্যালারির সমর্থকরা তাদের প্রশংসা করলেও আজ তারা বেশ খাপ্পা। গ্যালারি থেকেই চিৎকার করে অনেকেই তাদের প্রতি ক্ষোভ ঝেড়েছেন। প্রতিবাদ থেকে সরে আসায় খেলোয়ারদের বাজে ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছে বলেও জানাচ্ছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম
অবশ্য খেলা শুরুর আগে ইরান দলের অধিনায়ক জানিয়েছেন এর আগে ইংল্যান্ডের সঙ্গে ম্যাচে জাতীয় সংগীত না গাওয়ায় তাদের ওপর কোনো চাপ আসেনি। তিনি বলেছেন, হাজারো মানুষের চাওয়ায় কোনো পরিবর্তন আসছে না। আমার চাওয়ায়ও কারো কিছু যাবে আসবে না। আসলে আমরা এখানে ফুটবল খেলতে এসেছি। শুধু আমরাই নয়, কাতারে উপস্থিত সব খেলোয়াড়ই খেলতে এসেছেন।
প্রসঙ্গত, গত ১৩ সেপ্টেম্বর ‘ঠিকমতো’ হিজাব না পরায় ইরানের নীতি পুলিশের হাত গ্রেফতার হন মাহসা আমিনি। পরে পুলিশি হেফাজতে থাকা অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনার পর থেকেই ইরানজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।










