চট্টগ্রাম টেস্টে তিন সেঞ্চুরিতে ৬ উইকেটে ৫৭৫ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। তার জবাব দিতে নেমে ৩২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসেছে বাংলাদেশ। আজ বুধবার দ্বিতীয় দিনশেষে স্বাগতিক দলের সংগ্রহ ৩৮/৪। এখনো ৫৩৭ রানে পিছিয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। মুমিনুল হক ৬ ও শান্ত ৪ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।
সকালে টনি ডি জর্জি ও ডেভিড বেডিংহ্যামের ১১৬ রানের জুটি ভেঙেছেন তাইজুল ইসলাম। অল্প সময়ের ব্যবধানে ডি জর্জিকেও ফেরান তিনি। জর্জি করেন ১৭৭ রান। তাইজুল ৫ উইকেট নেয়ার পর রায়ান রিকেলটনকে শিকারে পরিণত করেন পেসার নাহিদ রানা। এরপর আরেকটি দেড়শত রানের জুটিতে অতিথি দলের রান পাঁচশ পেরিয়ে যায়। উইয়ান মুলডার ১০৫ ও সেনুরান মুথুস্যামি ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন।
১৪তম বারের মতো ৫ উইকেট নিলেন তাইজুল
তাইজুলের দুই বল ডট দেয়ার পর তৃতীয় বলটিতে সুইপ খেলতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনেন নতুন ব্যাটার ও ঢাকা টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান কাইল ভেরেইনা। তাইজুলের আবেদনে সাড়া দিয়ে লেগ বিফোঁর দিয়ে দেন আম্পায়ার। এর মধ্য দিয়ে চট্টগাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট পূর্ণ হলো বামহাতি অর্থোডক্স স্পিনার তাইজুল ইসলামের। পতন হওয়া প্রথম ৫ উইকেটের সবগুলোই নিয়েছেন তিনি।
এ নিয়ে ৪৯ টেস্টের ক্যারিয়ারে ১৪তম বার ৫ উইকেট শিকার করলেন ৩২ বছর বয়সী তাইজুল। এছাড়া ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন দুবার। ২০১৪ সালে অভিষেক হওয়া তাইজুল বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার। সদ্যই ঢাকা টেস্টে ৮ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে দুশর ক্লাবে নাম লেখান। এবার চট্টগ্রামে প্রথম ইনিংসে নিলেন ৫ উইকেট। সব মিলে তার ক্যারিয়ার উইকেট এখন পর্যন্ত ২০৯টি।
২০১৪ সালে কিংসটাউনে ক্যারিয়ারের প্রথম ইনিংসেই নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। সেই থেকে তিনি টেস্ট দলের নিয়মিত মুখ। নিয়মিতই দলের আস্থার প্রতিদানও দিয়ে চলেছেন। সাকিবের সঙ্গে জুটি বেধে বহু ম্যাচে দলকে টেনেছেন। এবার মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে তার নতুন স্পিন জুটি। জুটি বদলায়, তবে তিনি নিজেরই মতো নিরলস নিজের কাজটি করে যান।
ইনিংসে সর্বোচ্চ ৮ উইকেট নেয়ার কীর্তি আছে তাইজুলের। ২০১৪ সালে অভিষেকের বছরই ঢাকায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩৯ রানে নিয়েছিলেন ৮ উইকেট। এছাড়া একবার ৭ উইকেট ও ছয়বার ৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি।










