২০২২-২৩ মৌসুমের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৩৩ ক্রিকেটার রেখে কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা প্রকাশ করেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। গত জুনের শেষ দিকে এ তালিকা প্রকাশ করলেও সিনিয়র একঝাঁক ক্রিকেটার চুক্তিতে সই করেননি। এ তালিকায় ছিলেন অধিনায়ক বাবর আজম, উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও শাহিন শাহ আফ্রিদিসহ ডজনখানেক ক্রিকেটার। বোর্ডের সঙ্গে কিছু বিষয় সমাধান না হওয়ায় তাদের আপত্তি ছিল। তবে অবশেষে আলোচনার ভিত্তিতে চুক্তিপত্রে সই করেছেন এই ক্রিকেটাররা। গত বৃহস্পতিবার ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নেদারল্যান্ডসে উড়াল দেয়ার আগে তারা চুক্তিপত্রে সই করেন।
আগেই অধিকাংশ ক্রিকেটার চুক্তিতে সই করেন। বাকি ছিলেন ১২ জন। তারা এখন
চুক্তিতে সই করলেও সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপ শেষ হলে তাদের দাবি নিয়ে বিস্তারিত
আলোচনায় বসবে পিসিবি।
এবারই প্রথম সবচেয়ে বেশি ক্রিকেটার চুক্তিবদ্ধ করেছে পিসিবি। আলাদা করা
হয়েছে সাদা ও লাল বলের খেলোয়াড়দের। সম্প্রতি লাহোরে প্রি-ট্যুর ক্যাম্পের শুরুতে খেলোয়াড়দের
চুক্তির কপি হস্তান্তর করে পিসিবি। কিছু খেলোয়াড় সই করলেও কিছু খেলোয়াড় করেননি।
তাদের উপদেষ্টা ও আইনজীবীদের দ্বারা চুক্তিগুলো পরিচালনা করতে চান, এই মর্মে সময় চেয়েছিলেন।
বাবর আজমরা পিসিবি থেকে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের অনাপত্তিপত্র, আইসিসি ইভেন্টের ছবিস্বত্ব, আইসিসির টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের ফলে
যে ফি পাওয়া যায় এসব সম্পর্কে জানতে চান বোর্ডের কাছে।
সম্প্রতি এ নিয়ে পিসিবির সঙ্গে বসেছেন তারা। পিসিবির পরিচালক জাকির খান
আলোচনার নেতৃত্ব দিয়েছেন। এসময় বোর্ডের সিইও ফয়সাল হাসনাইন এবং সিওও সালমান নাসিরও
ভূমিকা রাখেন। শেষ পর্যন্ত বেশিরভাগ ইস্যুতে ভালো ফল পেয়েছে উভয়পক্ষ। যদিও এশিয়া
কাপের পরে বিদেশী লিগ,
আইসিসি-সংক্রান্ত বিষয়গুলো ও এনওসি নিয়ে
আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।
আগামীকাল মঙ্গলবার রটারড্যামে ডাচদের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে
মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। এরপর রয়েছে আরো দুটি ওয়ানডে।










