বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে একদিকে সাম্বার ছন্দ, অন্যদিকে নরওয়ের বরফশীতল আক্রমণ। তবে মাঠের লড়াই শুরুর আগেই মাঠের বাইরের যুদ্ধটা জমে উঠেছে এক চিরন্তন প্রশ্নকে ঘিরে। সেটা হচ্ছে, কীভাবে থামানো হবে এরলিং হালান্ডকে? ব্রাজিল শিবিরের অন্দরমহলে এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় এটাই।
ফুটবলপ্রেমীদের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগছে, নরওয়ের এ গোল মেশিনের আসল লড়াইটা কার সঙ্গে? গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েসের মতো শক্তপোক্ত সেন্টার ব্যাকের সাথে, নাকি ব্রাজিলের আক্রমণের প্রাণভোমরা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সঙ্গে?একটু গভীরভাবে ভাবলে দেখা যাবে, হালান্ডকে হারানোর আসল দাবার চালটি কিন্তু খেলবেন ব্রাজিলের মাস্টারমাইন্ড কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তবে তিনি মনে করেন, ম্যাচটিকে শুধুমাত্র হালান্ড বনাম ব্রাজিল হিসেবে দেখার কোনো কারণ নেই।
নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে আজ বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টায় কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটের জন্য মুখোমুখি হবে দুই দল। ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে হালান্ডকে নিয়ে একের পর এক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় আনচেলত্তিকে। কিন্তু অভিজ্ঞ এ ইতালিয়ান কোচ পরিষ্কার জানিয়ে দেন, ব্রাজিলের কোনো ‘অ্যান্টি-হালান্ড’ পরিকল্পনা নেই।
তিনি বলেন, 'আমি মনে করি না, ‘অ্যান্টি-হালান্ড’ বলে কোনো পরিকল্পনা আছে। কীভাবে রক্ষণ করতে হবে, আমার খেলোয়াড়দের তা বলে দেয়ার প্রয়োজন নেই। তারা বেশ কয়েকবার হালান্ডের মুখোমুখি হয়েছে। দল সেরা অবস্থায় আছে। তবে আমাদের উন্নতি অব্যাহত রাখতে হবে।'
হালান্ডকে নিয়ে আনচেলত্তির আত্মবিশ্বাসের বড় কারণ তার ডিফেন্ডাররা। বিশেষ করে আর্সেনালের ব্রাজিলিয়ান সেন্টার-ব্যাক গ্যাব্রিয়েল মাঘালায়েস, যার প্রিমিয়ার লিগে একাধিকবার হালান্ডকে সামলানোর অভিজ্ঞতা আছে।
সেই অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা রেখেই ব্রাজিল কোচ বলেন, 'হালান্ড কীভাবে খেলে, তা সবাই জানে। তাকে কীভাবে আটকাবে তা আমার ডিফেন্ডারদের নতুন করে বুঝিয়ে বলার কিছু নেই। তার বিপক্ষে অনেকবার খেলেছে, তাই শুধু ম্যাচের জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নেয়া ও প্রতিপক্ষের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো বোঝার দিকেই মনোযোগ দিচ্ছি। তারা আক্রমণে অত্যন্ত বিপজ্জনক।'










