অ্যালবামটি প্রকাশের পর পরই বিশ্বের ৩৮টি দেশ ও অঞ্চলের আইটিউনস অ্যালবাম তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে। একই সঙ্গে কে-পপ গার্ল গ্রুপের ইতিহাসে প্রথম সপ্তাহে সর্বোচ্চ অ্যালবাম বিক্রির কৃতিত্ব অর্জন করেছে ব্ল্যাকপিংক। প্রকাশের পর এক সপ্তাহে অ্যালবামটির বিক্রি হয়েছে প্রায় ১৭ লাখ ৭০ হাজার কপি। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ব্ল্যাকপিংক গ্রুপের এজেন্সি ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট।

গত শুক্রবার মুক্তি পাওয়ার পর মাত্র আড়াই দিনের মধ্যেই প্রায় ১৪ লাখ ৬৮ হাজার ৮৯৪ কপি বিক্রি হয়। এটি ফেব্রুয়ারির অ্যালবাম তালিকায় প্রথম স্থানে উঠে আসে।

ব্ল্যাকপিংকের আরেক অ্যালবাম ‘বর্ন পিংক’ প্রথম সপ্তাহে যে বিক্রি করেছিল, নতুন অ্যালবামটি তা থেকে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার কপি বেশি বিক্রি করেছে।

সংগীত শিল্পে প্রথম সপ্তাহের বিক্রির পরিসংখ্যানকে শিল্পীর জনপ্রিয়তা ও ভক্তসমর্থনের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সে বিবেচনায় ‘ডেডলাইন’ ব্ল্যাকপিংকের বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তার আরেকটি শক্ত প্রমাণ হয়ে উঠেছে।

সংগীত বিশ্লেষকদের মতে, দলটির আন্তর্জাতিক ভক্ত দিন দিন আরো বিস্তৃত হচ্ছে। অ্যালবাম প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল প্লাটফর্ম, চার্ট ও বিক্রির তালিকায় যে সাফল্য এসেছে, তা আগামী দিনগুলোয় আরো বড় রেকর্ডের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ফলে ডেডলাইন শুধু একটি নতুন অ্যালবামই নয়, ব্ল্যাকপিংকের সংগীতযাত্রায় আরেকটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

সূত্র: ফোর্বস ও কোরিয়া জুংআং ডেইলি