ঈদ উপলক্ষে তানিয়া বৃষ্টি অভিনীত ‘সুপ্তাদের বাড়ি’ শিরোনামের একটি নাটক প্রকাশ হয় ইউটিউবে। এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি। নাটকে তার বাবা ও মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোহাম্মদ বারী ও সাবেরী আলম। তানিয়া বৃষ্টির তিন বোনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সামিরা খান মাহি, মাখনুন সুলতানা মাহিমা ও তন্বী মাহমিদ তৃনা। নাটকটি গত ২৭ মার্চ ইউটিউবে প্রকাশ হয়। পারিবারিক গল্পের কারণে দর্শকের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।

ইমরাউল রাফাতের রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত সুপ্তাদের বাড়ি নাটকটির গল্প এমন যে বাবা-মাকে নিয়ে চার বোনের সুখের পরিবার। কিন্তু হঠাৎ সড়ক দুর্ঘটনায় সুপ্তার বাবা ও মা মারা যায়। বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। বড় বোন সুপ্তা সে জটিলতা শেষ করতে গিয়ে পারিবারিকভাবেই সমস্যার সম্মুখীন হয়। এভাবেই এগিয়ে যায় গল্প।

নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে তানিয়া বৃষ্টি বলেন, ‘অভিনয় জীবনে অনেক ভালো ভালো গল্পের নাটকে অভিনয় করেছি। নাম ভূমিকায় খুব কম নাটকেই কাজ করা হয়েছে। রাফাত ভাইয়ের নির্দেশনায় এ নাটকে কাজ করতে গিয়ে অনেক সময়ই ইমোশনাল হয়ে পড়েছি। আমি সবসময়ই গল্পের ভেতরে চরিত্রের মধ্য ডুবে গিয়ে কাজ করার চেষ্টা করতাম। গল্পের চরিত্রটিকে নিজের মধ্যে ধারণ করে অভিনয়ের চেষ্টা করি। এ নাটকের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই হয়েছে। নাটকটি দর্শক উপভোগ করছেন। একজন অভিনেত্রী হিসেবে এটাই আমার প্রাপ্তি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন আল্লাহ যেন আমাকে পূর্ণ সুস্থতা দান করেন।’

তানিয়া বৃষ্টি প্রসঙ্গে নির্মাতা ইমরাউল রাফাত বলেন, ‘সুপ্তাদের বাড়ি শুটিংয়ের সময় শুটিংয়ের প্রাণ ছিল তানিয়া। হাসিখুশি মুখের আড়ালে তার শরীরে দানা বেঁধেছে এক ভয়ানক ব্যাধি, সেটা তাকে দেখে একটুও বোঝা যায়নি, এমনকি বোঝেনি সে নিজেও। পুরো শুটিং ইউনিটকে প্রতিদিন পজেটিভ এনার্জি দিয়ে গেছে সে। শুটিং শুরু হয়েছে তানিয়ার শট দিয়ে, শেষ হয়েছে তানিয়ার শট দিয়ে। প্রতিটা মুহূর্তে সে ছিল আমাদের গল্পের সুপ্তা। সুপ্তাদের বাড়ির প্রাণ, বড়ো মেয়ে সুপ্তা আজ অসুস্থ। আলো ঝলমলে সুপ্তাদের বাড়িটাকে তাই ম্লান মনে হয়। আমরা সবাই প্রার্থনা করি সুপ্তা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরুক। হাসির রোলে পুরো বাড়িটা আনন্দে মেতে উঠুক।’