ম্যাট ড্যামন ও বেন অ্যাফ্লেকের সিনেমা ‘দ্য রিপ’। সিনেমাটি এনেছে স্ট্রিমিং জায়ান্ট নেটফ্লিক্স। সম্প্রতি এ দুই অভিনেতা সিনেমাটির প্রচারের জন্য ‘দ্য জো রোগান এক্সপেরিয়েন্স’ অনুষ্ঠানে হাজির হন। দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সহকর্মী এ দুই অভিনেতা সেখানে আলোচনা করেন, কীভাবে স্ট্রিমিং প্লাটফর্ম সিনেমা বানানোর ধরন বদলে দিচ্ছে।
ড্যামন বলেন, ‘ঘরে বসে সিনেমা দেখার সময় দর্শকের মনোযোগ থিয়েটারের তুলনায় “খুব আলাদা মাত্রার’’ হয়, তাই নেটফ্লিক্স চায় ছবির অ্যাকশন সেট পিসগুলো রানটাইমের শুরুতেই জোরালোভাবে হাজির করতে। পর্দার আড়ালে এমন আলোচনাও হয় যে সংলাপে “তিন বা চারবার করে কাহিনী আবার বলা’’ দরকার, কারণ অনেক দর্শক সিনেমা দেখার সময় ফোনে ব্যস্ত থাকে।’
ড্যামন ব্যাখ্যা করেন, আমরা যেভাবে অ্যাকশন সিনেমা বানাতে শিখেছি, তার স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতিতে সাধারণত তিনটি সেট পিস থাকে। একটি প্রথম অংকে, একটি দ্বিতীয় অংকে, আর একটি তৃতীয় অংকে। সবচেয়ে বেশি টাকা খরচ হয় তৃতীয় অংকে। ওটাই আপনার ফিনালে। আর এখন তারা বলছে, ‘প্রথম ৫ মিনিটেই কি বড় কিছু রাখা যায়? আমরা চাই মানুষ যেন দেখতেই থাকে। আর সংলাপে তিন বা চারবার কাহিনী মনে করিয়ে দিলে খারাপ হবে না, কারণ মানুষ দেখার সময় ফোনে থাকে’।
এরপর অ্যাফ্লেক কথা বলেন এবং যোগ করেন সফল কনটেন্টের জন্য স্ট্রিমারের এ ফর্মুলাই একমাত্র পথ নয়। তিনি নেটফ্লিক্সের সাম্প্রতিক লিমিটেড সিরিজ হিট ‘অ্যাডোলেসেন্স’কে উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন।
এরপর অ্যাফ্লেক বলেন, ‘কিন্তু তারপর আপনি ‘‘অ্যাডোলেসেন্স’’ দেখেন, আর ওটা এসবের কিছুই করেনি। তবু এটা দুর্দান্ত। আর অন্ধকারও। এটা ট্র্যাজিক আর তীব্র। এটা এমন একজন লোককে নিয়ে, যে জানতে পারে তার সন্তানকে খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অনেক লম্বা শট আছে, যেখানে শুধু তাদের মাথার পেছনটা দেখা যায়। তারা গাড়িতে ওঠে, কেউ কিছু বলে না।’
ড্যামন মনে করেন, অ্যাডোলেসেন্সের মতো শোগুলো ‘ব্যতিক্রম’। কিন্তু অ্যাফ্লেকের মতে, এ শো প্রমাণ করে দর্শককে খুশি করতে নেটফ্লিক্সের তথাকথিত কৌশলগুলো মেনে চলা বাধ্যতামূলক নয়।
সূত্র: ভ্যারাইটি










