বাংলা চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান অভিনয় জীবনের ২৫ বছর পার করে ২৬তম বছরে পা রেখেছেন। তার সিনেমা মুক্তি পেলে হলে দর্শকের ভিড় জমে। শুধু সিঙ্গেল স্ক্রিন নয়, সিনেপ্লেক্সেও তার সমান জনপ্রিয়তা রয়েছে।
শাকিবের দীর্ঘ পথচলার স্বীকৃতি হিসেবে গেল মে মাসে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের ২৬তম আসরে তাকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্প্রতি দেশের শীর্ষ ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারও তাকে সম্মান জানিয়েছে। ‘ব্লেন্ডার্স চয়েজ ডেইলি স্টার ওটিটি অ্যান্ড কনটেন্ট অ্যাওয়ার্ডস’-এ চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন বিশেষ সম্মাননা।
অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত একটি অডিও–ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনায় শাকিব খানের ক্যারিয়ার নিয়ে বলা হয়—২০০৫ সালে ‘আমার স্বপ্ন তুমি’ সিনেমার মাধ্যমে তিনি নতুন উচ্চতায় পৌঁছান। ২০০৬ সালে ‘কোটি টাকার কাবিন’ ছিল তার প্রথম মেগাহিট। এরপর ‘চাচ্চু’, ‘আমার প্রাণের স্বামী’, ‘কথা দাও সাথী হবে’সহ একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দেন তিনি। ২০০৭ সালে নামের আগে যুক্ত হয় ‘সুপারস্টার’ তকমা। আর ২০০৮ সালের ‘প্রিয়া আমার প্রিয়া’ রেকর্ড গড়ে বাংলা সিনেমার ইতিহাসে জায়গা করে নেয়।
করোনার পরেও ‘প্রিয়তমা’, ‘রাজকুমার’, ‘তুফান’, ‘বরবাদ’ প্রমাণ করেছে—বাংলাদেশের সিঙ্গেল স্ক্রিন থেকে মাল্টিপ্লেক্স, সবখানেই শাকিব এখনও রাজত্ব করছেন। শাকিব শুধু দেশেই নয়, প্রবাসী দর্শকদের কাছেও সমানভাবে প্রিয়। উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে মালয়েশিয়ায়ও তার সিনেমা উৎসবের আমেজে দেখা হয়।
ডেইলি স্টারের বিশেষ সম্মাননা গ্রহণ করতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি শাকিব খান। যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, জরুরি কাজে আটকে পড়ায় আসতে পারেননি। তবে এই অর্জন কেবল তার একার নয়—অসংখ্য ভক্ত এবং শাকিবিয়ানদের জন্যও এই সাফল্য। একই সঙ্গে ডেইলি স্টারকে ধন্যবাদ জানান এ স্বীকৃতির জন্য।









