শুক্রবার জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে ‘হুমায়ূন আহমেদ: নির্মাণশৈলী ও শিল্প দর্শন’ শীর্ষক এ আয়োজনে বাবার জীবনদর্শন ও কাজের প্রতি নিষ্ঠার কথা তুলে ধরেন তিনি।
নুহাশ হyমায়ূন বলেন, ‘মানুষ হুমায়ূন আহমেদকে কেবল একজন লেখক বা নির্মাতা হিসেবে নয়, বরং নিজের পরিবারের সদস্য হিসেবে দেখে। তারই এক্সটেনশন হিসেবে আমাদের সবার জন্যই মানুষের হৃদয়ে একটা স্পেশাল জায়গা তৈরি হয়েছে। বাবা আমাদের নিয়ে এত লিখেছেন যে মানুষ যখন আমাদের সঙ্গে কথা বলে, মনে হয় কোনো বইয়ের চরিত্রের সঙ্গেই কথা বলছে!’ তিনি আরো জানান, শৈশবেই বাবাকে দেখে তিনি আবিষ্কার করেছেন যে সৃষ্টিশীল কাজ কতটা কঠিন ও পরিশ্রমের। বাবা ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত টানা লিখতেন, পছন্দ না হলে লেখা কুঁচকে ফেলে দিয়ে নতুন করে শুরু করতেন।
এ অনুষ্ঠানেই নুহাশ তার নির্মাণাধীন সিনেমা ‘মুভিং বাংলাদেশ’-এর অগ্রগতিও সবার সঙ্গে ভাগ করে নেন।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন চলচ্চিত্র গবেষক ড. শাহাদৎ রুমন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মতিন রহমান জানান, চলচ্চিত্রের চরম সংকটের সময় হুমায়ূন আহমেদ সিনেমা নিয়ে এসেছিলেন। শুরুর দিকে ‘নাটক হয়ে যাচ্ছে’ বলে সমালোচনা হলেও তিনি থেমে থাকেননি। সভাপতির বক্তব্যে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন জানান, হুমায়ূন আহমেদ প্রমাণ করেছিলেন যে কেবল সৃজনশীলতা দিয়েই অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া যায়, যা দেশে একটি ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ তৈরি করেছিল। অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. মিজানুর রহমানও বক্তব্য রাখেন।









