বিশ্বের ২৬টি দেশের ১৮৪টি চলচ্চিত্রকে পেছনে ফেলে ‘উইম্যান অ্যান্ড ওয়ার্ক’ বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতেছে গাইবান্ধার তরুণ নির্মাতা সুরাইয়া তাছনিন সাথীর ‘রেশমা: এ স্ট্রাগল ফর আইডেন্টিটি’ এটি সুরাইয়ার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র। কানেক্টহারের ফেলোশিপভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রায় এক বছরের গবেষণা ও পরিশ্রমে নির্মিত এ প্রামাণ্যচিত্র প্রথম কাজ হিসেবেই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।
কানেক্টহার একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা নারী ও কন্যাশিশুর উন্নয়নে কাজ করে। সংস্থাটি নারী নেতৃত্বাধীন প্রকল্পে সহায়তা, তরুণ নির্মাতাদের চলচ্চিত্র আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে উপস্থাপন এবং সামাজিক পরিবর্তনে তরুণদের সম্পৃক্ত করার কাজ করে থাকে।
১ ও ২ মে অস্টিনের স্ট্রিট থিয়েটারে দুই দিনব্যাপী এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী দিনে বিভিন্ন দেশের নির্মাতাদের উপস্থিতিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। প্রামাণ্যচিত্রটির কেন্দ্রীয় চরিত্র সুরাইয়া ফারহানা রেশমা, যার বাস্তব জীবনের সংগ্রাম ও আত্মপরিচয়ের লড়াই গল্পের মূল বিষয়। চিত্রগ্রহণে ছিলেন মিঠুন বর্মণ ও মারুফ ভুঁইয়া। প্রযোজনা দলে ছিলেন আবু বকর সিদ্দিক (শুভ আকন্দ), আপন, আরিফ, সুস্মি সরকার ও অর্ঘ্য রায়। কারিগরি সহায়তা দিয়েছে ধ্রুপদ কমিউনিকেশন।
বিজয় প্রসঙ্গে সুরাইয়া তাছনিন সাথী বলেন, ‘আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। কানেক্টহারের ফিল্ম ক্লাসে প্রথম যখন সিনেমা তৈরির পাঠ নিচ্ছিলাম, তখন ভাবিনি প্রথম ছবিতেই এমন অর্জন আসবে। এই ফেলোশিপ এবং দীর্ঘ এক বছরের সাধনা আজ সার্থক হলো। আমার মেন্টর নভেরা হাসান নিক্কণ এবং আমার মা কহিনুর বেগমের সহযোগিতা ছাড়া এটি সম্ভব হতো না।’










