‘সুপারম্যান’ সিরিজের স্পিন-অফ হিসেবে নির্মাণ হয়েছিল এটি। তবে বক্স অফিসে সফল হয়নি এবং সমালোচকদের কাছ থেকেও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছিল। সে ব্যর্থতা নারী সুপারহিরোদের সিনেমার ভবিষ্যৎ একরকম অন্ধকারেই ঠেলে দিয়েছিল। তবে দেরিতে হলেও আশার আলো জেগে উঠেছে আবার। পর্দায় আসছে নতুন সুপারগার্ল। ২৬ জুন আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ডিসি ইউনিভার্সের এ সিনেমা। ক্রেইগ গিলেসপি পরিচালিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন মিলি অ্যালকক, ম্যাথিয়াস শোনার্টস, ইভ রিডলি, ডেভিড ক্রামহোল্টজ, এমিলি বিচাম, ডেভিড কোরেনসওয়েট ও জেসন মোমোয়া। বাংলাদেশের দর্শকও প্রস্তুত হয়ে যেতে পারেন। আন্তর্জাতিক মুক্তির দিনই সুপারগার্ল মুক্তি পাবে স্টার সিনেপ্লেক্সে।

২০২৫ সালে জেমস গানের সুপারম্যান সিনেমায় সুপারগার্লকে দেখা গেছে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য। ওইটুকু সময়েই দর্শকের মনে দাগ কেটেছে সুপারগার্ল। এবার সুপারগার্ল হিসেবে পর্দায় আসছেন মিলি অ্যালকক। ‘হাউজ অব দ্য ড্রাগন’ সিরিজে কিশোরী টারগারিয়েন চরিত্রে অভিনয় করে যিনি আগেই নজর কেড়েছেন। তবে এবার জেমস গান পরিচালনার দায়িত্বে নেই। ক্যামেরার পেছনে আছেন ক্রেইগ গিলেসপি, যিনি এর আগে ‘আই, টনিয়া’ ও ‘ক্রুয়েলা’র মতো আলোচিত সিনেমা বানিয়েছেন। মিলি অ্যালককের আগে অনেকের কাছেই সুপারগার্ল মানে ছিলেন টিভি সিরিজের অভিনেত্রী মেলিসা বেনয়েস্ট। তবে পুরনো ভক্তদের মনে থাকার কথা, আশির দশকের শুরুতে যখন সুপারম্যান ফ্র্যাঞ্চাইজি পড়তির দিকে, তখন এ সুপারগার্লকে দিয়েই নতুন হাওয়া লাগানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

ট্রেলার প্রকাশের পর দর্শকের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই এটিকে প্রচলিত সুপারগার্ল গল্পের চেয়ে বেশি পরিণত এবং আবেগঘন বলে মনে করছেন। সমালোচকদের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়াও ইতিবাচক। কেউ কেউ এর ভিজুয়াল স্টাইলকে ‘ম্যাড ম্যাক্স: ফিউরি রোড’ ও ‘গার্ডিয়ান অব দ্য গ্যালাক্সি’ সিনেমার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এ সিনেমা শুধু সুপারগার্লের একক যাত্রা নয়, বরং ডিসি স্টুডিওজের নতুন সিনেমাটিক ইউনিভার্স গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। নতুন ডিসি ইউনিভার্সে সুপারম্যানের পাশাপাশি সুপারগার্লকেও কেন্দ্রীয় নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনার অংশ এ সিনেমা।