এরই মধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে চলচ্চিত্রটির ট্রেলার। গত বৃহস্পতিবার এক আনন্দঘন পরিবেশে ট্রেলারটি উন্মোচন হয়। আয়োজনে উপস্থিত শিল্পী, নির্মাতা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা একসঙ্গে ট্রেইলারটি উপভোগ করেন এবং সিনেমাটি নিয়ে নিজেদের প্রত্যাশার কথাও জানান।

প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন তানিম নূর। ঘোষণার পর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকের আগ্রহ ছিল বেশ তুঙ্গে। এরই মধ্যে প্রকাশিত ট্রেলারের বেশ কয়েকটি সংলাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে মোশাররফ করিমের মুখে চঞ্চল চৌধুরীকে উদ্দেশ করে বলা একটি সংলাপ দর্শকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।

ট্রেলার উন্মোচনের পরপরই শুরু হয় সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্ব। হইচই বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর সাকিব আর খানের শুভেচ্ছা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক পর্বের সূচনা হয়। এরপর একে একে কথা বলেন পরিচালক তানিম নূর, অভিনেতা মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, শরীফুল রাজ, সাবিলা নূর, আজমেরী হক বাঁধন, জাকিয়া বারী মম, শ্যামল মাওলা ও ইন্তেখাব দিনার।

তানিম নূর বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদ স্যার, আইয়ুব বাচ্চু ভাইকে স্মরণ করছি। যেকোনো সিনেমা একা করা যায় না। সিনেমার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এই সিনেমায় অত্যন্ত গুণী অভিনয়শিল্পীরা আছেন। তাদের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’

চঞ্চল চৌধুরী ও মোশাররফ করিম এই সিনেমার মাধ্যমে প্রায় ১২ বছর পর বড় পর্দায় স্ক্রিন শেয়ার করবেন। দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে কাজ করতে পেরে তারাও বেশ উচ্ছ্বসিত ও আবেগাপ্লুত বলে জানান।

শরীফুল রাজ বলেন, ‘আমি হুমায়ূন স্যারের ভক্ত। স্যার বেঁচে থাকলে খুব খুশি হতেন। আমাদের সবার জন্য দোয়া করবেন। আর সিনেমাটা হলে গিয়ে পরিবার নিয়ে দেখবেন।’

সাবিলা নূর বলেন, ‘আমার সবচেয়ে বেশি দৃশ্য ছিল মোশাররফ করিম ভাইয়া ও রাজ ভাইয়ার সঙ্গে। দুজনের কাছে একটু ক্ষমা চেয়ে নিতে চাই, দুজনকে অনেক জ্বালিয়েছি বিরক্ত করেছি। তানিম ভাইকে অনেক ধন্যবাদ আমাকে চিত্রা চরিত্রে ভাবার জন্য। সেই সঙ্গে আমি পুরো টিমের কাছে ভীষণ গ্রেটফুল।’

ইউসিবি নিবেদিত চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছে বুড়িগঙ্গা টকিজ এবং সহপ্রযোজনায় রয়েছে হইচই স্টুডিওস।