স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ এবং বিশ্ব নাট্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে এ বিশেষ মঞ্চায়নের আয়োজন করা হয়েছে।
বাদল সরকারের মূল রচনা অবলম্বনে নির্মিত যুদ্ধবিরোধী এবং শান্তিপ্রত্যাশী নাটকটি রূপান্তর ও নির্দেশনায় রয়েছেন জাহিদ রিপন। নাটকটিতে বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ, সহিংসতা ও মানবিক সংকটের বিরুদ্ধে শিল্পসম্মত প্রতিবাদ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের হিরোশিমা-নাগাসাকি ট্র্যাজেডি থেকে শুরু করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, বসনিয়া যুদ্ধ, ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত, আফগানিস্তান, ইরাকসহ বিভিন্ন যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট এতে প্রতিফলিত হয়েছে।
প্রযোজনাটি যুদ্ধ, গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের বিপরীতে মানবিক চেতনা জাগ্রত করার আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে দর্শকদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি নৈতিক অবস্থানে দাঁড় করানোর চেষ্টা করে নাটকটি। স্বপ্নদলের ভাষ্যানুযায়ী, এটি শুধু নাট্যপ্রদর্শনী নয়, বরং যুদ্ধবিরোধী এক শৈল্পিক প্রতিবাদ।
এদিনের বিশেষ আয়োজনে শিল্প-সংস্কৃতিতে অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘মেডাল অব দি অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়া’প্রাপ্ত নাট্যজন কামরুজ্জামান বালার্ককে স্বপ্নদলের পক্ষ থেকে সম্মাননা প্রদান করা হবে। অতিথি হিসেবে এ সম্মাননা তুলে দেবেন জাপানের টোকিওভিত্তিক কাহাল গ্যালারির চেয়ারম্যান চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান লিপু।
স্বপ্নদলের নিয়মিত মঞ্চায়ন হিসেবে এটি নাটকটির ১২৮তম প্রদর্শনী। জাপান, যুক্তরাজ্য ও ভারতের বিভিন্ন নাট্যোৎসবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ত্রিংশ শতাব্দী প্রশংসিত হয়েছে। আয়োজকরা আশা করছেন, আজকের প্রদর্শনী দর্শকদের মধ্যে যুদ্ধবিরোধী মানবিক বার্তা আরো গভীরভাবে ছড়িয়ে দেবে।









