জেমস ক্যামেরন ফিরছেন অ্যাভাটার নিয়ে। এ মাসে মুক্তি পাচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় সিনেমা ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। তবে মুক্তির আগে চলচ্চিত্র সাংবাদিকদের জন্য সিনেমাটির প্রিমিয়ার হয়েছে। সাংবাদিকরা এ কিস্তিকে ‘চূড়ান্ত সিনেমাটিক বিস্ময়’ আখ্যা দিচ্ছেন। তাদের মতে সিনেমাটি ‘দৃশ্য ও আবেগকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেয়।’
সমালোচক কোর্টনি হাওয়ার্ড এক্স-এ ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’–এর প্রশংসা করে লিখেছেন, ‘এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় মুভি থিয়েটার তৈরি হয়েছিল কীসের জন্য।’
তিনি আরো লেখেন, ‘তিনটি চলচ্চিত্রের পরেও জেমস ক্যামেরনের জাদু অটুট—তিনি মহাকাব্যিক দৃশ্যকে আবেগপূর্ণ করে তুলতে পারেন। অ্যাভাটার এক মহিমান্বিত মাহাকাব্য। প্রতিটি দিক থেকেই সাহসী, উজ্জ্বল ও অসাধারণ—সিনেমা হলগুলো ঠিক এটাই দেখানোর জন্য তৈরি।’
সমালোচক শন তাজিপুরও এক্স-এ একই প্রশংসা ব্যক্ত করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ' সিনেমায় ক্যামেরন প্রতিটি ফ্রেম দিয়ে সীমানা ভেঙে চলেছেন।
শনের ভাষায়, ‘আমি হয়তো সবচেয়ে বড় ‘‘অ্যাভাটার’’ ভক্ত নই, কিন্তু ‘‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’’ আবারও প্রমাণ করে যে জেমস ক্যামেরন সর্বদা চূড়ান্ত সিনেমাটিক অভিজ্ঞতা উপহার দেন। এমন এক অভিজ্ঞতা যা দৃশ্য ও আবেগকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেয় এবং সত্যিকারের ব্লকবাস্টার কেমন হওয়া উচিত তা পুনর্নির্ধারণ করে।’

অ্যাভাটারের নির্মাতা জেমস ক্যামেরন
কোলাইডার–এর সংবাদদাতা পেরি নেমিরফ এক্স-এ লিখেছেন, ‘তিনটি সিনেমা পেরিয়েও আমি এখনো বুঝতে পারি না কীভাবে ‘‘অ্যাভাটার’’-এর সিনেমাগুলো এতটা জাদুকরী লাগে। বলতে ইচ্ছে করলেও নতুন কোনো বাক্য খুঁজে পাই না। ‘‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’’ সত্যিই যেন এক রাইডের মতো অনুভূত হয়। কত দ্রুত আমি আবার প্যান্ডোরার জগতে ডুবে গেলাম এবং গল্পের স্রোতে ভেসে গেলাম, তা বিশ্বাসই করতে পারিনি। আর একবার তা ঘটলেই, নির্মাণের নানান দিকেই জটিলতার সুস্পষ্ট বৃদ্ধি নজরে পড়ে।’
অ্যাভাটার ফ্র্যাঞ্চাইজি জেমস ক্যামেরনের সবচেয়ে বড় প্রজেক্টের একটি। তিনি ২০০৯ সালে সিরিজের প্রথম সিনেমাটি নিয়ে আসেন। তখনই সিনেমাটি দর্শককে টেনেছিল। এর বহুদিন পর দ্বিতীয় সিনেমা ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ মুক্তি পায় ২০২২ সালে। বছরের সেরা বক্স অফিস সাফল্য ছিল এটি। তিন বছর পর মুক্তি পাচ্ছে ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। এটিও বহু রেকর্ড ভাঙবে। তবে রেকর্ড ভাঙার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে অ্যাভাটারে। আধুনিক সিনেমার সংজ্ঞা ও নতুন দিগন্ত তৈরি করছে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি।
সূত্র: ভ্যারাইটি










