গত মঙ্গলবার রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান এ অভিনেতা। শামস সুমনের প্রথম জানাজা চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল বেলা ১১টায়। যেখানে সদ্য প্রয়াত এ অভিনেতার সহকর্মী থেকে শুরু করে সংস্কৃতি অঙ্গনের অনেকেই তাকে শেষ বিদায় জানাতে এসেছিলেন।

তার জানাজায় উপস্থিত ছিলেন ইমপ্রেস টেলিফিল্ম চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, চ্যানেল আইয়ের বার্তা প্রধান ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ, মুকিত মজুমদার বাবুসহ অভিনেতা রামেন্দু মজুমদার, আফজাল হোসেন, নায়ক ওমর সানী, পরিচালক বাদল খন্দকার, জাহিদ হাসান, মীর সাব্বির, জিতু কমল, আবুল কালাম আজাদ, ত্রপা মজুমদার, নাদের চৌধুরী, ইন্তেখাব দিনার, শতাব্দী ওয়াহিদ, আবুল কালাম আজাদ, আহসান হাবিব নাসিম, সকাল আহমেদ, তাহমিনা সুলতানা মৌ, শাহেদ শরীফ খান, ওয়াহিদা মল্লিক জলি প্রমুখ।

পাশাপাশি আবৃত্তি সংগঠন ‘স্বনন’ ও অভিনয় শিল্পী সংঘের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়। শামস সুমন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংগঠন স্বননের সঙ্গে ছিলেন। তার পরিবার যুক্তরাজ্যে বাস করে। জানা গেছে তারা দেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। আপাতত শামস সুমনের মরদেহ রাজধানীর সিএমএইচের হিমঘরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তার পরিবার ফিরলেই পারিবারিক কবরস্থানে প্রয়াত অভিনেতার দাফন সম্পন্ন হবে।

এক সময়ের টিভি নাটকের জনপ্রিয় মুখ ছিলেন শামস সুমন। মঞ্চ থেকে শুরু করে ছোট পর্দা এবং বড় পর্দা দাপিয়ে বেড়িয়েছেন। তার অভিনীত চলচ্চিত্রগুলো হলো মন জানে না মনের ঠিকানা (২০১৬) কক্সবাজারে কাকাতুয়া (২০১৬) চোখের দেখা (২০১৬), প্রিয়া তুমি সুখী হও (২০১৪), আয়না কাহিনী (২০১৩), বিদ্রোহী পদ্মা (২০০৬), জয়যাত্রা (২০০৪), নমুনা (২০০৮), হ্যালো অমিত (২০১২), জয়যাত্রা (২০০৪)।