এ উৎসবে তার পক্ষ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করবেন স্ত্রী ও অভিনেত্রী হেমা মালিনী।
সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে হেমা মালিনী জানান, দিল্লিতে নতুনভাবে শুরু হওয়া এ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব চার-পাঁচ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে বহু শিল্পীকে সম্মাননা দেয়া হবে। তিনি বলেন, ‘ধর্মজিকেও তারা শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। তাই আমি সেখানে উপস্থিত থেকে তার পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করব।’ আয়োজক রেখা গুপ্তকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
বুধবার ভারত মণ্ডপমে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে শুরু হয় এ উৎসব। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অর্জুন কাপুর ও নিমরাত কৌর। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ভিকি কৌশল, সানিয়া মালহোত্রা, সিদ্ধান্ত চতুর্বেদী, অনুপম খের ও অন্যান্য তারকা। উৎসবজুড়ে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা ও সম্মাননা প্রদানের মতো নানা আয়োজন থাকছে, যা দিল্লিকে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র মানচিত্রে আরো দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সহায়ক হবে। ২৫ মার্চ শুরু হওয়া এ উৎসব চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত।
এর আগে অস্কারের পক্ষ থেকে ধর্মেন্দ্রকে স্মরণ না করায় হতাশা প্রকাশ করেছিলেন হেমা মালিনী। সুভাষ কে ঝাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘যারা চলচ্চিত্রজগতের এত বড় একজন শিল্পীকে উপেক্ষা করেছে, এটা তাদের জন্য লজ্জার।’ তবে একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, জীবদ্দশায় পুরস্কার প্রাপ্তির চেয়ে দর্শকের ভালোবাসাকেই বেশি গুরুত্ব দিতেন ধর্মেন্দ্র।
তিনি বলেন, ‘ধর্মেন্দ্র কখনই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য কাজ করেননি; বরং ভারতীয় দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়াকেই তিনি নিজের সবচেয়ে বড় অর্জন মনে করতেন। তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্র উপহার দিয়ে তিনি প্রজন্মের পর প্রজন্মের দর্শকের কাছে প্রিয় হয়ে ওঠেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তার ব্যক্তিত্ব, বিনয় ও সহকর্মীদের প্রতি আন্তরিক আচরণও তাকে বিশেষ মর্যাদা এনে দেয়।’
১৯৩৫ সালে জন্ম নেয়া কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র ২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বর মুম্বাইয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘ অসুস্থতার পর ৮৯ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। তবে তার অভিনয়, ব্যক্তিত্ব ও অবদান আজও ভারতীয় চলচ্চিত্রে এক অনন্য মাইলফলক হয়ে আছে।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস









