গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে ববিতা একুশে পদক ২০২৬ গ্রহণ করেন। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে এবারের পদকপ্রাপ্তরা একুশে পদক গ্রহণ করেন। একুশে পদক গ্রহণ করা শেষে মিলনায়তনে উপস্থিত সম্মানীত বিভিন্ন ব্যক্তিদের সঙ্গে বেশকিছুটা সময় কাটান। পুরো সময়টা ববিতার সঙ্গে থেকে তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন তারই ছোট বোন নন্দিত নায়িকা চম্পাসহ ববিতার পরিবারের অন্য সদস্যরা। একুশে পদকপ্রাপ্তিতে এরই মধ্যে দেশ-বিদেশের অগণিত ভক্তের কাছ থেকেও শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন ববিতা।
একুশে পদক গ্রহণের পর অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ববিতা বলেন, ‘অবশেষে একুশে পদকপ্রাপ্ত হলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে এ সম্মাননা গ্রহণ করেছি। আমাকে রাষ্ট্রের এ সর্বোচ্চ সম্মাননায় ভূষিত করায় রাষ্ট্রের প্রতি, এ দেশের মানুষের প্রতি, দর্শকের প্রতি মন থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।’
মানুষের কথাই বারবার স্মরণ করেছেন ববিতা। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের কাছে আমার অনেক ঋণ। কারণ আমি সিনেমায় অভিনয় করেছি। আর এ দেশের মানুষ আমাকে তাদের ভালোবাসা দিয়ে সম্মানীত করেছেন। একুশে পদক রাষ্ট্রের অন্যতম সর্বোচ্চ সম্মাননা। এ সম্মাননা প্রাপ্তির পর সত্যিই মনটা ভরে গেছে আনন্দে, খুশিতে। আমি আবারো বলছি, আমি পদকটি শ্রদ্ধেয় শহীদ বুদ্ধিজীবী জহির রায়হানকে উৎসর্গ করলাম। কারণ তার হাত ধরেই আমার চলচ্চিত্রে আসা। তাই আমার একুশে পদকপ্রাপ্তি তাকেই শ্রদ্ধার সঙ্গে উৎসর্গ করছি।’
ববিতা ‘নয়নমণি’ ‘বসুন্ধরা’ ‘বাঁদী থেকে বেগম’ ‘রামের সুমতি’, ‘হাছন রাজা’, ‘পোকা মাকড়ের ঘর বসতি’ (শ্রেষ্ঠ প্রযোজক হিসেবে), ‘কে আপন কে পর’ সিনেমার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। ২০১৬ সালে চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য তিনি ‘আজীবন সম্মাননা’য় ভূষিত হন। ববিতা অস্কারজয়ী বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের ‘অশনি সংকেত’ সিনেমায় অভিনয় করে দেশে-বিদেশে বাংলা ভাষাভাষী দর্শকের কাছে এক অনন্য উচ্চতায় চলে গিয়েছিলেন।










