এশীয় সংগীতকে আলাদা আঞ্চলিক বিভাগে রাখার মাধ্যমে শিল্পীদের মূলধারার বিভাগে প্রতিযোগিতার সুযোগ সীমিত করা হচ্ছে, এমন অভিযোগ উঠেছে। বিটিএসের সিদ্ধান্তের পর রেকর্ডিং একাডেমির প্রধান নির্বাহী হার্ভে ম্যাসন জুনিয়র জানিয়েছেন, শিল্পী ও সংগীতাঙ্গনের সংশ্লিষ্টদের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়ে বিভাগটি পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। গত দুই সপ্তাহে একাডেমির কর্মকর্তারা কে-পপ, জে-পপ, সি-পপ ও ভারতীয় সংগীতের সঙ্গে যুক্ত শিল্পীদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। ম্যাসন জুনিয়র বলেন, ‘কোনো সংগীত সম্প্রদায় যেন উপেক্ষিত বা ভুলভাবে উপস্থাপিত না হয়, তা নিশ্চিত করাই একাডেমির লক্ষ্য।’
বিটিএসের সিদ্ধান্তের পর পুনর্বিবেচনায় গ্র্যামির বিভাগ
কোরিয়ান ব্যান্ড বিটিএস জানিয়েছিল, ২০২৭ সালের গ্র্যামি পুরস্কারের জন্য তারা গান জমা দেবে না। এরপর রেকর্ডিং একাডেমির নতুন ‘বেস্ট এশিয়ান পপ মিউজিক পারফরম্যান্স’ বিভাগ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।










