ভোটের পর নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশার জায়গাগুলো আমার কাছে বেশ স্পষ্ট। প্রথমত, ব্যাংক খাতকে আরো শক্ত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে হবে। সুদহার, মূল্যস্ফীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার—এসব বিষয়ে ধারাবাহিক ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত দরকার। ব্যবসা ও বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় অনিশ্চয়তা থেকে। তাই সামষ্টিক অর্থনীতির একটি স্থিতিশীল পরিবেশ এখন খুব প্রয়োজন।

দ্বিতীয়ত, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নকে আমাদের আরো গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। কর্মসংস্থান তৈরি হবে তখনই, যখন শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে বাস্তব দক্ষতার সংযোগ থাকবে। তরুণরা চাকরি চায়, কিন্তু তার আগে তারা সুযোগ চায় নিজেকে প্রস্তুত করার। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ মানেই ভবিষ্যতের চাকরিতে বিনিয়োগ।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রযুক্তি ও আইসিটি। আমরা এখন এমন এক সময়ে আছি, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্রুত সব খাতকে বদলে দিচ্ছে। এ বাস্তবতায় প্রযুক্তি খাতে একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ না থাকলে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প—সব জায়গায় প্রযুক্তিকে কীভাবে কাজে লাগানো হবে, তার পরিকল্পনা এখনই দরকার।