মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, সরকারি চিংড়ি এস্টেটকে আরো আধুনিক ও উৎপাদনশীল করে গড়ে তুলতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। ব্যবসায়ী, মৎস্যচাষী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ খাতকে আরো এগিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আজ কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলার রামপুর মৌজায় অবস্থিত সরকারি চিংড়ি এস্টেট পরিদর্শন শেষে স্থানীয় চিংড়ি চাষি এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. মামুন হাসান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এই প্রকল্পকে কীভাবে আরো এগিয়ে নেয়া যায়, সে বিষয়েই এখানে এসেছি। ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন মতামত ও সমস্যার কথা শুনেছি। বিশেষ করে নিরাপত্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার বিষয়ে যেসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।’
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরো বলেন, চিংড়ি বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত। একসময় এশিয়ায় মহাদেশে চিংড়ি উৎপাদনে বাংলাদেশ নেতৃত্বের অবস্থানে ছিল। এ খাতের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে। প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা মৎস্য অধিদপ্তর ও সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া হবে।
তিনি চিংড়ি খাতের উন্নয়নে সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও চাষিদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো দূর করতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। তিনি সবার সহযোগিতায় এই সম্ভাবনাময় খাতকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রত্যাশা করেন।
মতবিনিময় সভায় কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হুদা সরকারি চিংড়ি এস্টেটের বর্তমান কার্যক্রম, উৎপাদন পরিস্থিতি, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ পরিকল্পনা তুলে ধরে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।










