রাষ্ট্র সংস্কার ও আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের ভাবনাগুলোকে রাজনৈতিক মূলধারায় নিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি। নির্বাচনী ইশতাহারগুলোয় তরুণদের কর্মসংস্থান ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে উন্নয়নের যে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে, তা আশাব্যঞ্জক হলেও এর বাস্তবায়নযোগ্যতা নিয়ে সংশয় থেকে যায়। অনেক ক্ষেত্রে এগুলো কেবল ‘ভোট টানার কৌশল’ হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে। একজন আইনজীবী হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, ইশতাহারে দেয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর একটি আইনি দায়বদ্ধতা থাকা উচিত; যাতে নির্বাচিত দল পরবর্তী সময়ে জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে বাধ্য থাকে। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে আমি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেব সুশাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতার নিশ্চয়তাকে। আমাদের এমন নেতৃত্ব প্রয়োজন, যারা শুধু মেগা প্রকল্প নয়, বরং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ হবে। মেধাভিত্তিক মূল্যায়ন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি আমার ভোট পাওয়ার প্রধান শর্ত।

নির্বাচিত সরকারের কাছে তরুণ প্রজন্মের বড় প্রত্যাশা হলো কর্মসংস্থানের বিকেন্দ্রীকরণ ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া। বিশেষ করে সরকারি চাকরিতে কোটা নয়, মেধার সর্বোচ্চ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।