নির্বাচনে আমরা নাগরিক মর্যাদা, নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার এবং নিজেদের সরকার নির্বাচিত করার সুযোগ পাব। এতে কোনোভাবেই যেন নাগরিক অধিকার হরণ না হয়, সেজন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দায়িত্বশীল আচরণ করবে বলে আশা করি।
নির্বাচন-পরবর্তী সরকারের দায়িত্ব প্রসঙ্গে বললে শুরুতেই আসে ব্যাংক খাতের কথা। অর্থনীতির ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক খাত। এতে খেলাপি ঋণ ৩৫ শতাংশ। এটিকে কমিয়ে ১০ শতাংশের মধ্যে আনতে হবে। বিদ্যুৎ খাতে উচ্চমূল্যে যেসব চুক্তি করা হয়েছে সেগুলোকে পুনরায় আলোচনার মাধ্যমে কমিয়ে যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে।
এবারের নির্বাচিত সরকারকে দুর্নীতির বিচার করতে হবে। বেকার সমস্যা প্রকট। প্রায় ৩০ লাখ বেকার। পরবর্তী সরকার যেন বেকার সমস্যা নিরসনে যথাযথ উদ্যোগ নেয়। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য আমরা চাই দায়িত্বশীল সরকার, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ। এ মুহূর্তে আমরা গণতান্ত্রিক উত্তরণ পর্বে দাঁড়িয়ে আছি। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের সরকার বাছাই করবে। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে আমরা অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধশালী হিসেবে দেখতে চাই।













