কক্সবাজার ভ্রমণের সময় সমুদ্রে নামতে পর্যটকদের প্রতি ১০টি নির্দেশনা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। গতকাল এক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে এসব নির্দেশনা দেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। এছাড়া সৈকতে চোরাবালির গর্ত ও তীব্র স্রোতপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে সাইনবোর্ড টানানোসহ ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে সমুদ্রে নামতে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। গতকাল বেলা পৌনে ১১টায় সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ‘পানিতে নামার পূর্বে করণীয়’ বিষয়ক সচেতনতামূলক এ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ।

ক্যাম্পেইনে পর্যটকদের জন্য ১০ নির্দেশনা হলো সাঁতার না জানলে সমুদ্রের পানিতে নামার সময় লাইফজ্যাকেট ব্যবহার করতে হবে, লাল পতাকায় চিহ্নিত করা পয়েন্টে কোনোভাবে নামা যাবে না, সৈকত এলাকায় সবসময় লাইফগার্ডের নির্দেশনা মানতে হবে, বিকাল ৫টার পর সমুদ্রে নামা যাবে না, সমুদ্রে নামার আগে জোয়ার-ভাটাসহ আবহাওয়ার সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিতে হবে, লাইফগার্ড নির্দেশিত নির্ধারিত স্থান ছাড়া অন্য কোনো পয়েন্ট থেকে সমুদ্রে নামা যাবে না, সমুদ্রে যেকোনো মুহূর্তে তীব্র স্রোত ও গর্ত সৃষ্টির বিষয়ে জানতে হবে, যেকোনো ভাসমান বস্তু নিয়ে পানিতে নামার আগে বাতাসের গতি সম্পর্কে জেনে নিতে হবে, শিশুকে সৈকতে সবসময় সঙ্গে রাখতে হবে এবং তাকে একা সমুে্দ্র নামতে দেয়া যাবে না, অসুস্থ অথবা দুর্বল শরীর নিয়ে সমুদ্রে হাঁটুপানির বেশি নামা যাবে না।

সৈকতে সচেতনতামূলক এ ক্যাম্পেইন ১০ দিনব্যাপী চলবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাহিদ ইকবাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (মানবসম্পদ) নাসিম আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বিভীষণ কান্তি দাশ, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) সৈয়দ মুরাদ প্রমুখ। এছাড়া ট্যুর অপারেটর, ফায়ার সার্ভিস ও বিভিন্ন সংগঠনের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।