বিশ্ব আয়োডিন দিবসে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিসিক চট্টগ্রাম কার্যালয় আয়োজিত সভায় বাংলাদেশকে শতভাগ আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহারের লক্ষ্যে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।

দেশে পুষ্টির অভাবজনিত সমস্যাগুলোর মধ্যে আয়োডিন ঘাটতিজনিত সমস্যা অন্যতম। এ সমস্যা নিরসন এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ২১ অক্টোবর পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিশ্ব আয়োডিন দিবস উদযাপিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে ২১ অক্টোবর বিশ্ব আয়োডিন দিবস উদযাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

বিসিক জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিসিক চট্টগ্রামের উপমহাব্যবস্থাপক নিজাম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের বিভিন্ন লবণ কারখানা মালিক ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল (এনআই) ও গ্লোবাল এলায়েন্স ফর ইম্প্রুভড নিউট্রিশনের সহায়তায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিসিক চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক মো. মোতাহার হোসেন।

তিনি বলেন, ‘আয়োডিন একটি অত্যাবশ্যকীয় অনুপুষ্টি হলেও বাংলাদেশে এখনো ১৪ শতাংশ মানুষ আয়োডিনের আওতার বাইরে রয়েছে। ১৯৯৩ সালে ৬৮ দশমিক ৯০ শতাংশ মানুষ আয়োডিন ঘাটতিতে ছিল। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের ফলে গলগণ্ড, হাবাগোবা, বামনত্ব, অকাল গর্ভপাতসহ শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা দূর হয়েছে। শতভাগ আয়োডিন ব্যবহারের দেশ হতে হলে বেসরকারি মিল মালিকদের আরো বেশি সচেতন হয়ে লবণ বাজারজাত করতে হবে।’