ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির সামার ট্রাইমিস্টার ২০২৬-এর নবীনবরণ অনুষ্ঠান আজ শনিবার আশুলিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাস অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. সলিমুল্লাহ খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার সাফায়েত মোহাম্মদ রাজু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. সলিমুল্লাহ খান বলেন, উচ্চশিক্ষায় মাতৃভাষা বাংলার ব্যবহার বর্তমানে অত্যন্ত সীমিত। অথচ শিক্ষার গুণগত উন্নয়ন এবং কার্যকর জ্ঞানার্জনের জন্য মাতৃভাষার ব্যবহার অপরিহার্য।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী শিল্পায়ন না হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না, ফলে বেকারত্বের সমস্যাও রয়ে যাচ্ছে।
এছাড়া তিনি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং আলোকিত জীবন গঠনে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও সমাজের কল্যাণে সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
তিনি শিক্ষার্থীদের এ মর্মে শপথ করান যে, তারা কোনো অবস্থাতেই তাদের পিতা-মাতাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাবে না। তিনি বলেন, পিতা-মাতার সন্তুষ্টিই একজন সন্তানের জীবনে সফলতার অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার সাফায়েত মোহাম্মদ রাজু নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করার পাশাপাশি পড়াশোনা এবং দক্ষতা উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনই একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সময়, তাই এ সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর শামসুল হুদা, রেজিস্ট্রার ড. আবুল বাশার খান এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির কনভেনর ও ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ রফিউসসান।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম, শিক্ষার্থী সহায়তা সেবা, বিভিন্ন ক্লাবের কার্যক্রম এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।










