তিন দফা দাবি পূরণ না হলে আগামী ১ আগস্ট থেকে সব কাজ বন্ধ রেখে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ট্যাংক-লরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউটরস এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। দাবি পূরণের জন্য আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে তারা।  

গতকাল দুপুরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় শাহ্ ফতে উল্লাহ কনভেনশন হলে সংগঠনগুলোর ঢাকা বিভাগীয় কমিটির ব্যানারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা এ ঘোষণা দেন। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ট্যাংক-লরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউটরস এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল। 

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, জ্বালানি তেল পরিবহনকারী ট্যাংক-লরির ইকোনমিক লাইফ ৫০ বছর পর্যন্ত নির্ধারণ, জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর প্রচলিত কমিশন বৃদ্ধি করে কমপক্ষে ৭ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক গেজেট প্রকাশের তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোয় এরই মধ্যে তিনবার লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় তারা হতাশ। তাই আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত সরকারের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করা হবে।

তিনি বলেন, ‘তেল ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর নেতারা আশা করছেন সরকারের নীতি-নির্ধারকরা বিষয়টি বিবেচনা করে এ সময়ের মধ্যে দাবিগুলো মেনে নেবেন। এর ব্যত্যয় হলে ১ আগস্ট থেকে সব জ্বালানি ব্যবসায়ীরা জ্বালানি তেল উত্তোলন ও পরিবহনকাজ বন্ধ রেখে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউটরস এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান রতন ও বাংলাদেশ ট্যাংক-লরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব শেখ ফরহাদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান রতন, আতিকুর রহমান মুন্সি, আনোয়ার হোসেন মেহেদী, মীর সোহেল আলী, ফজলুল হক মনি, মোহাম্মদ পারভেজ, সাইদুর রহমান রিপন, মিজানুর রহমান প্রধান, এমএ স্বপন, হুমায়ুন জাকির মিলন, সাব্বির আহম্মেদ, সাইদুজ্জামান, সংগঠনগুলোর স্থানীয় নেতা এবং বিভিন্ন জ্বালানি তেল ডিপোর মালিকরা।