সংস্কার নয়, নতুন করে সংবিধান পুনর্লিখনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে অভ্যুত্থানকারী তরুণদের প্লাটফর্ম জাতীয় নাগরিক কমিটি। সংবিধান সংস্কার কমিশনের আহ্বানে মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) লিখিত প্রস্তাবনা পেশ করে জাতীয় নাগরিক কমিটি। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ-পশ্চিম ব্লকের দ্বিতীয় লেভেলে অবস্থিত কেবিনেট কক্ষে ৬৯ দফা প্রস্তাবনা পেশ করে সংগঠনটি।
দেড় ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে তারা জানান, গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সংবিধান প্রণয়নের দাবি জানানো হয়েছে সংবিধান সংস্কার কমিশনের কাছে। সংবিধান রচনার পর গণপরিষদই রূপ নেবে আইনসভায়। সংবিধানে দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রের ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত, দুইবারের বেশি কোনো ব্যক্তির রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী না হওয়া, সরকারের মেয়াদ চার বছর করার দাবি জানানো হয়েছে জাতীয় নাগরিক কমিটির ৬৯ দফা প্রস্তাবনায়।
এ সময় জাতীয় নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও মুখপাত্র সামান্তা শারমিন। কেন্দ্রীয় সদস্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন সারোয়ার তুষার, অ্যাডভোকেট মুকুল মুস্তাফিজ, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা, ড. আতিক মুজাহিদ এবং সালেহ উদ্দিন সিফাত।
সংবিধান সংস্কার কমিশনের পক্ষে প্রস্তাবনা গ্রহণ করেন কমিশনের প্রধান আলী রীয়াজ। আরো উপস্থিত ছিলেন কমিশন সদস্য ফিরোজ আহমেদ, মুস্তাইন জহির, সুমাইয়া খায়ের, অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকরামুল হক, মইন আলম ফিরোজি ও ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিকি। এ সময় সংবিধান সংস্কার কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় করেন জাতীয় নাগরিক কমিটির প্রতিনিধিরা।










