জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণরা কাকে পছন্দ করবে, সে বিষয়ে তারা খুব সচেতন বলেই আমি মনে করি। আমাদের তরুণদের স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পেছনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কারণগুলোর অন্যতম হলো যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ না পাওয়া। অর্থাৎ তারা বিগত সরকারের সময় মেধার মূল্যায়নের ভিত্তিতে চাকরি পাননি। জুলাই আন্দোলনে সে অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে।
এরই মধ্যে তারেক রহমান সমস্যাগুলো নিয়ে কথা বলছেন। তিনি বলেছেন যে তার দল যদি ভোটে জিতে সরকার গঠন করে, তাহলে তরুণদের জন্য নতুন করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি মেধাবীদের নেতৃত্বে সমাজ গঠন করা হবে। সেক্ষেত্রে একজন তরুণ হিসেবে আমি বলতে চাই, আমরা এবার সংসদ নির্বাচনে এমন কাউকে নির্বাচিত করব, যারা সমাজকে মেধার ভিত্তিতে গড়বেন এবং যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না। আমরা মেধার জোরে সমাজে দাঁড়াতে চাই, সেখানে যেন কোনো তদবির না থাকে। যার মেধা আছে চাকরি তার হবে। মেধার ভিত্তিতেই সমাজ পরিচালিত হবে। সরকারের কাছে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। আমরা চাই, আগামী সরকার কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরিতে বেশি অগ্রাধিকার দেবে, যাতে করে দেশে ‘টেকসই উন্নয়ন’ হয়।













