স্বাধীনতাবিরোধীরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযুদ্ধকে নিচে নামিয়ে চব্বিশের আন্দোলনকে বড় করে দেখাতে চায় বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘আমরা বিভাজন তৈরি করতে চাই না, তবে কিছু লোক ইচ্ছাকৃতভাবে তা করার চেষ্টা করছে। আমি এ বিষয়ে খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই, ১৯৭১-কে ভুলে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ একাত্তর আমাদের জাতির অস্তিত্ব।’
গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম আয়োজিত ‘স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অপরিহার্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনের আগে গণভোটের বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘পৃথক গণভোট আয়োজনে অতিরিক্ত ১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। আমরা বলেছি, জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হতে হবে। বিএনপি নির্বাচনমুখী দল। গণ-অভ্যুত্থানের তিন মাসের মধ্যে যদি নির্বাচন হয়ে যেত, তবে অপশক্তি মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার সাহস পেত না। আমাদের ৩১ দফায় সব সংস্কার স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। আমরা সংস্কারের পক্ষে। পরবর্তী সংসদ সিদ্ধান্ত নেবে, আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) বাস্তবায়ন করা হবে কিনা। পিআর ছাড়া নির্বাচন হবে না বলে জনগণকে বোকা বানানো হচ্ছে।’
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘শেখ হাসিনা ভারতে বসে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন। আমি ভারত সরকারকে অনুরোধ করতে চাই, শেখ হাসিনাকে হস্তান্তর করুন। কারণ তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।’
মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।










