সরকারিভাবে নিষিদ্ধ করা হলেও গাইবান্ধার সাত উপজেলায় চায়না দুয়ারি জালের ব্যবহার বেড়েই চলেছে। অল্প পরিশ্রমে অধিক আয়ের উৎস হিসেবে জেলেদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এ জাল। কারেন্ট জালের চেয়েও ভয়ংকর এ জালে সহজেই আটকা পড়ে মাছ। একবার এ জালে যেকোনো ছোট-বড় মাছ ঢুকলে বের হওয়ার সুযোগ নেই। হুমকির মুখে পড়ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজ প্রাণী।

গাইবান্ধা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফয়সাল আযম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘চায়না জালের বিরুদ্ধে আমাদের ব্যাপক নজরদারি রাখা আছে। গত আগস্টের শেষের দিকে বাইরে থেকে চালান আসছিল কুরিয়ারে। সেগুলো আমরা আটক করতে পেরেছি। সেখানে তিন বান্ডেল চায়না দুয়ারি জাল পাওয়া গেছে।’

যেসব খাল-বিলে এ জাল ব্যবহারের খবর পাওয়া যাচ্ছে সেখানেই উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তারা তদারকি চালাচ্ছেন। এছাড়া এ জাল ব্যবহার না করার জন্য প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত আছে বলে জানান ফয়সাল আযম।