বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, দেশের শত্রুরা আবার মাথাচাড়া দিচ্ছে, নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে। আজ রোববার দুপুরে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ শঙ্কা প্রকাশ করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকের যে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, তা অনিশ্চয়তা, হতাশার মধ্যে চলে যাচ্ছে এবং প্রত্যেকটি মানুষ বারবার চিন্তা করছে, কি হবে, কি হতে পারে?

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা দেখছি, দেশের শত্রুরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করেছে। যতই সময় যাচ্ছে ততই দেশে একটা এনার্কি সিচুয়েশন তৈরি করে পুরোপুরি নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সেই প্রোপাগান্ডা, মিথ্যা তথ্য প্রচার করে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলছে।

এরকম পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বর ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ দিবস হিসেবে অভিহিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেভাবে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেভাবে আমাদের পরিচালিত করেছিলেন দীর্ঘ নয় বছর স্বৈরাচার বিরোধী সংগ্রামে এবং পরবর্তীকালের সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ করেছেন, একইভাবে আমরা দেখছি, আমাদের নেতা তারেক রহমান সুদূর লন্ডন থেকে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার কাজ করে চলেছেন, আমাদের দলকে পরিচালিত করছেন এবং জাতিকে নতুন আশা জোগাচ্ছেন।

এদিন দুপুরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন কর্মসূচি চূড়ান্ত করতে দল ও অঙ্গসংগঠনের যৌথ সভা হয়। এ সভায় বিএনপি মহাসচিব সভাপতিত্ব করেন। পরে নেতাদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ৭ নভেম্বর আমাদের রাজনৈতিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ বলেই আমরা দিনটিকে স্মরণ করে রাখতে চাই এবং ৭ নভেম্বরের দর্শন ধারণ করে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, আবদুস সালাম আজাদ, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসসহ মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।