বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ঘুমধুম তুমব্রু পয়েন্টের পর এবার নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের চাকঢালা সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে এক রোহিঙ্গা নাগরিকের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকালে সীমান্ত পিলার ৪৪-৪৫ এর মধ্যবর্তী চাকঢালা বড়ছনখোলার ওপারে মিয়ানমার অভ্যান্তরের পুরানমাইজ্যা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর রক্তাক্ত অবস্থায় নো ম্যন্স ল্যান্ড এলাকায় আহতের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনাস্থল পুরাইমাইজ্যা থেকে কিছু দূরে মিয়ানমারের একটি বিজিপি চৌকি রয়েছে।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আশিকুর রহমান জানান, মাইন বিস্ফোরণে আহতের নাম আবদুল কাদের (৪৫)। তার পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়েছে। রাতে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আবছার ইমন জানান, মঙ্গলবার বিকালে সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণের খবর শুনেছি। তবে সেটি মিয়ানমারের ওপারে।
আবদুল কাদেরের স্বজনরা জানিয়েছেন, সীমান্তের কাঁটাতারের কাছে তার গরু ঘাস খাচ্ছিল। বিকোলে গরু আনতে গেলে মাইন বিস্ফোরণে তার ডান পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
প্রসঙ্গত, মিয়ানমারে চলমান উত্তেজনাকালীন সময়ে ঘুমধুম থেকে শুরু করে চাকঢালা, আশারতলী সীমান্তের ওপারে তাদের অভ্যান্তরে মাইন পুতে রেখেছে। গত এক মাসে এই পয়েন্টে মাইন বিস্ফোরেণে একজন নিহত ও দুইজনের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।










