চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ঈদুল আজহার মাসে সব খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে মূল্যস্ফীতিতে। এ কারণে গত মে মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাড়িঁয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে।

আজ রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, মে মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। এর আগে এপ্রিল মাসে তা ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। গত বছরের মে মাসে ৯ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতি হয়েছিল।

বিবিএসের তথ্যমতে, গত মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। এপ্রিলে এ খাতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। অন্যদিক খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিও বেড়েছে। মে মাসে এ খাতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। এপ্রিলে ছিল ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

এদিকে গ্রাম ও শহরেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। গ্রামে মে মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং শহরে ছিল ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ। শহর ও গ্রামে খাদ্য, খাদ্য বর্হিভূত ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

দেশে কয়েক মাস ধরে মূল্যস্ফীতি বাড়লেও বাড়ছে না মজুরির হার। গেল মে মাসে শ্রমের মজুরি এপ্রিলের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। এ মাসে মজুরির হার ছিল ৮ দশমিক ২১ শতাংশ। এপ্রিলে এ হার ছিল ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ।