বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের একটি টিম নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের  মেঘনা শিল্পনগরীতে অবস্থিত দুটি চিনি কারখানার উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থা তদারকি  করেছে।  গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মেঘনা গ্রুপের ফ্রেশ চিনি ও আব্দুল মোনায়েম গ্রুপের ঈগলু চিনি কারখানায় এবং রূপগঞ্জে সিটি গ্রুপের তীর চিনির কারখানায় এ তদারিক কার্যক্রম মনিটর করা হয়।   ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের  সহকারী  পরিচালক  হাসানউজ্জামান ও ভোক্তা অধিকারের ঢাকা বিভাগীয় সহকারী পরিচালক মাহফুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম এ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ সময় তারা কারখানাগুলোয় চিনির উৎপাদন সক্ষমতা এবং প্রতিদিন মিল গেট থেকে চিনি বাজারজাতের পরিমাণ পর্যবেক্ষণ করেন। প্রতিটি কারখানা সরেজমিন গিয়ে ডিও এবং এসও চেক করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। কারখানায় যে চিনি উৎপাদন হচ্ছে সে হারে বাজারজাত করা হচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেখেন। এ সময় তারা তিনটি কারখানায় এক মাসে কী পরিমাণ চিনি উৎপাদন ও বাজারজাত হয়েছে সে তথ্য লিখিত আকারে জানানোর জন্য নির্দেশ দেন।   ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হাসানউজ্জামান জানান, আমার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ফ্রেশ, ঈগলু ও তীর করখানায় সরেজমিন গিয়ে তাদের উৎপাদন ও বাজারজাতের ব্যবস্থা তদারক করেছি। তারা যেটি বলছে গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন কম হচ্ছে। আমরা তাদের কাছে এক মাসের বাজারজাতের ডকুমেন্ট চেয়েছি। সেগুলো পেলে পর্যালোচনা করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দেয়া হবে।