নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য ভোট সুষ্ঠু হতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। তরুণরা, জুলাই যোদ্ধারা ভোট কেন্দ্রে থাকবে। তাই কেউ ভোট জালিয়াতির সাহস করলে তারা প্রতিরোধের মুখে পড়বে। আমি সুষ্ঠু ভোটের ব্যাপারে আশাবাদী। আমরা এ নির্বাচনে জামায়াতকে সমর্থন দিচ্ছি। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামো আজ ধ্বংসের মুখে। বিগত ১৬ বছরে ২৮ লাখ কোটি টাকা লুট হয়েছে। বিএনপিও অনেক ঋণখেলাপিকে মনোনয়ন দিয়েছে, যা জুলাই আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থী। এ মুহূর্তে ভঙ্গুর অর্থ ব্যবস্থা মেরামতের জন্য জামায়াতে ইসলামীকে দরকার। কেননা তারা নিজেদের দুর্নীতিমুক্ত হিসেবে প্রমাণ করতে পেরেছে। ডা. শফিকুর রহমান প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ওপর জোর দিয়েছেন। শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের মানবসম্পদে রূপান্তর করা যায়। শিক্ষা ব্যবস্থায় বাজেট বাড়ানো হবে। তথ্যপ্রযুক্তিকে গুরুত্ব দেয়া হবে। আর তরুণরা ফাঁপা বুলি শুনতে চায় না। তারা কাজ দেখতে চায়। ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তরুণরা আমাদের ওপর আস্থা রেখেছে। ছাত্র সংসদগুলোও শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে গেছে। আমরা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছি।