ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ সাবেক তিন
সংসদ সদস্য ও তাদের স্ত্রী, সন্তান এবং তাদের মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাংক
হিসাব জব্দের আদেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
ব্যাংক হিসাব জব্দ করা সাবেক এমপিরা হলেন— জামালপুর-৩ (মাদারগঞ্জ-মেলান্দহ) আসনের মির্জা
আজম, সিরাজগঞ্জ-২ (সদর ও কামারখন্দ) এর জান্নাত আরা হেনরী এবং ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও)
এর সাবেক এমপি ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল।
দেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে পরিচিত বিএফআইইউ থেকে বুধবার
(১৪ আগস্ট) দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি এ নির্দেশনা দেয়া হয়। বিএফআইইউর
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জব্দ করা ব্যক্তি, তাদের স্ত্রী-সন্তান, কিংবা ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্টের
সব লেনদেন বন্ধ থাকবে। আগামী ৩০ দিন এসব হিসাবে কোনো ধরনের লেনদেন করা যাবে না। প্রয়োজনে
লেনদেন স্থগিত করার সময় আরো বাড়ানো হবে।
কোনো হিসাব স্থগিত করা হলে হিসাব সংশ্লিষ্ট তথ্য বা দলিল যেমন হিসাব
খোলার ফরম, কেওয়াইসি ও লেনদেন বিবরণী ইত্যাদি চিঠি দেয়ার তারিখ থেকে পাঁচ কার্যদিবসের
মধ্যে তাদের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুরোধ করা হয়েছে।
লেনদেন স্থগিত করার এ নির্দেশের ক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯-এর
২৬ (২) ধারা প্রযোজ্য হবে বলে বিএফআইইউর চিঠিতে বলা হয়।
এর আগে বিএফআইইউর পক্ষ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল,
ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী
জাভেদ ও তথ্যপ্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের ব্যাংক হিসাবও জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে
তাদের প্রত্যেকের স্ত্রী ও সন্তানদের ব্যাংক হিসাব জব্দের পাশাপাশি লেনদেনের পূর্ণ
বিবরণ তলব করা হয়েছে।










