সুপার সাইক্লোন ‘আম্পান’ উপকূলে আছড়ে পড়ার আগেই খুলনার নদ-নদীতে পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভরা জোয়ারের সময় কয়রা উপজেলায় বেড়িবাঁধ উপচে পানি প্রবেশ করেছে। পানির চাপে পাইকগাছা ও কয়রায় বেড়িবাঁধের দুটি স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। অবশ্য স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিক মাটি ফেলে ভাঙন রোধ করেছেন।
জানা গেছে, কয়রা উপজেলার কয়রা সদর, উত্তর বেদকাশী এবং দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের কয়েক জায়গা দিয়ে বেড়িবাঁধ উপচে পানি প্রবেশ করেছে। স্থানীয় মানুষ বেড়িবাঁধের উপর মাটি দিয়ে পানি আটকানোর চেষ্টা করেন।
এদিকে পাইকগাছা উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নে বয়ারঝাপায় এলাকায় ওয়াপদা বাঁধে ভাঙন শুরু হয়। স্থানীয় চেয়ারম্যান এস এম এনামুল হক তাৎক্ষণিভাবে লোকজন নিয়ে মাঠি ফেলে ভাঙন রোধে কাজ করেন।
কয়রা সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড মেম্বর হরেন্দ্রনাথ সরকার বলেন, মঙ্গলবার দুপুরের জোয়ারের পানি বাঁধ উপচে কাটকাটা গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবেশ করে। পরে লোকজন মাটি দিয়ে পানি প্রবেশ আটকায়।
পাইকগাছার সোলাদানা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এস এম এনামুল হক বলেন, বুধবার সকালে ভাঙ্গণ দেখা দেয়ার খবর পেয়ে দ্রুততার সাথে ইউপির আপৎকালীন তহবিল থেকে অর্থ নিয়ে ভাঙন ঠেকাতে মাটি ফেলা হয়। তিনি বলেন, এলাকাবাসীকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিতে নানামুখী কার্যক্রম গ্রহণ করতে হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আম্পান উপকূলে আঘাত হানার আগেই খুলনার নদ নদীরে পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উপকূলীয় উপজেলা পাইকগাছা, দাকোপ এবং কয়রা এলাকায় পানির স্বাভাবিক মাত্রার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পশুর নদীতে পানি প্রবাহের মাত্রা রয়েছে ২ দশমিক ৭৯ মিটার। এ নদীর স্বাভাবিক মাত্রা ২ দশমিক ৪৪ মিটার। আর খুলনা শহরের রূপসা নদীতে প্রবাহিত পানির সীমা রয়েছে ২ দশমিক ৫২ মিটার।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী বলেন, কয়রা উপজেলার বেড়িবাঁধই বেশি নাজুক। জলোচ্ছ্বাস না হলে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। আম্পানের প্রভাবে জোয়ারের সময় নদীতে পানি বাড়ছে।
পাইকগাছা ও কয়রায় দুই বেড়িবাঁধে ভাঙন
নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে
সুপার সাইক্লোন ‘আম্পান’ উপকূলে আছড়ে পড়ার আগেই খুলনার নদ-নদীতে পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভরা জোয়ারের সময় কয়রা উপজেলায় বেড়িবাঁধ উপচে পানি প্রবেশ করেছে। পানির চাপে পাইকগাছা ও কয়রায় বেড়িবাঁধের দুটি স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। অবশ্য স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিক মাটি ফেলে ভাঙন রোধ করেছেন। জানা গেছে, কয়রা উপজেলার কয়রা সদর, উত্তর বেদকাশী এবং দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের কয়েক জায়গা দিয়ে বেড়িবাঁধ উপচে পানি প্রবেশ করেছে। স্থানীয় মানুষ বেড়িবাঁধের উপর মাটি দিয়ে পানি আটকানোর চেষ্টা করেন।










