খুলনা বিভাগে সব রেকর্ড ভেঙে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সর্বোচ্চ ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৫৬ জনের শরীরে। গতকাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এ তথ্য জানিয়েছেন।
রাশেদা সুলতানা বলেন, ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা জেলায়। এছাড়া কুষ্টিয়ায় ১৪ জন, যশোরে নয়, ঝিনাইদহে ১০, চুয়াডাঙ্গায় ছয়, মেহেরপুরে পাঁচ, বাগেরহাটে দুই, নড়াইল ও মাগুরায় একজন করে মারা গেছেন।
তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৬৯ হাজার ১৮৭ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১ হাজার ৪৮৭ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৪ হাজার ৭২৭ জন।
রাশেদা আরো বলেন, পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে খুলনা নগরের মধ্যে কয়েকটি বড় বেসরকারি হাসপাতাল রিকুইজিশনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, রোববার থেকে নতুন হাসপাতালগুলো চালু হবে।
এদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জেলাভিত্তিক করোনাসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের খুলনা জেলায় ৬৫৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৯৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণের হার ৪৫ শতাংশ। এর আগে বৃহস্পতিবার শনাক্তের হার ছিল ৩৯ ও বুধবার ৩৪ শতাংশ।
জেলায় এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৮ হাজার ১৯৪ জনের। মারা গেছে ৩৯২ জন এবং সুস্থ হয়েছে ১২ হাজার ২৯১ জন। জেলায় বর্তমানে পাঁচ হাজারের মতো করোনা রোগী রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে চার হাজার রোগী বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছে।
খুলনার সিভিল সার্জন নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, লকডাউনের আগেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল। যে কারণে শনাক্ত ও মৃত্যু বেড়েছে। লকডাউন অব্যাহত থাকলে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে অল্প সময়ের মধ্যে সংক্রমণ কমবে বলে তিনি আশাবাদী।









