হেফাজতে ইসলামের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালের সমর্থনে আজ রবিবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় রাস্তায় টায়ারে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ করেছে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। এসময় মহাসড়কে বেশ কিছুক্ষণ যানবাহন চলাচল বন্ধ বন্ধ ছিল। পরে পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের রাস্তা থেকে সড়িয়ে দিয়ে আগুন নিভিয়ে দিলে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সিদ্ধিরগগঞ্জে শিমরাইল, সাইনবোর্ড, সানারপাড়সহ বেশ কয়েকটি মাদরাসার ছাত্র, শিক্ষক ও হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে হরতালের সমর্থনে মিছিল করে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল এলাকায় অবস্থান নেয়। এসময় মহাসড়কে বেশ কয়েকটি স্থানে টায়ারে আগুন ধরিয়ে এবং রাস্তায় ইট বিছিয়ে বেশ কয়েকটি পয়েন্টে দফায় দফায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। পরে পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের সাথে কথা বলে রাস্তা থেকে  সড়িয়ে দেয়। 

বিক্ষোভকারীরা চলে গেলে রাস্তায় টায়ারে ধরানো আগুন নেভায় পুলিশ। পরে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল শুরু করে। এদিকে শহরের ডিআইটি এলাকায় ভোর সকাল থেকে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা রেলওয়ে ডিআইটি মসজিদের ভেতরে অবস্থান নেয়। সকাল থেকেই পুলিশ ডিআইটি মসজিদ পুলিশ, বিডিআরসহ আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মসজিদ ঘিরে রাখে। সকাল ৭টার দিকে পুলিশ বেস্টনির মধ্যেই হেফাজতের নেতাকর্মীরা মসজিদের বারান্দা ও আঙ্গিনার মধ্যে হরতালের পক্ষে স্লোগান দেয়। পরে পুলিশ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মসজিদে ঢুকে হেফাজতের জেলার সভাপতি মাওলানা আব্দুল আউয়ালের সাথে কথা বলেন। পরে মসজিদের ভেতরে কিছু নেতাকর্মী অবস্থান নেয় এবং বাকিরা বের হয়ে বাড়ি ফিরে যান। 

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, হেফাজতের নেতাদের সাথে কথা বলে তাদের নিবৃত করা হয়েছে। মহাসড়কে সকালে কিছুক্ষণের জন্য তারা রাস্তা অবরোধ করেছিল। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের সড়িয়ে দিলে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।