গাছে-গাছে সবুজ পাতার আড়ালে ঝুলছে সুস্বাদু পাকা
রসালো কমলা। প্রথমবারের
মতো বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে আবাদ হচ্ছে চায়না-থ্রি জাতের
কমলা। আবাদ করছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সৌদিফেরত আলমগীর
ভূঁইয়া। তার সফলতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে এখন জেলার অনেক কৃষকই কমলা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
এসব কমলা কিনতে দূর-দূরান্ত থেকে বাগানে আসছেন ক্রেতারা।
আলমগীর জানান, ভাগ্য বদলাতে বিদেশে পাড়ি জমান সৌদি আরবে।
সেখানে প্রায় ১৫ বছর কাটান। প্রবাসে থেকেই বিভিন্ন যাতের ফলের বাগান দেখে আকৃষ্ট
হন তিনি। ২০১৮ সালে দেশে ফিরে বাণিজ্যিকভাবে কমলা চাষের সিদ্ধান্ত নেন। ইউটিউবের
মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গার এক কমলা আবাদের ভিডিও দেখে ওই চাষির সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি।
পরে ওই বাগান পরিদর্শন ও পরামর্শ নিয়ে সেখান থেকে চায়না-থ্রি
জাতের কমলার চারা নিয়ে তার নিজ এলাকায় কমলা বাগান গড়েন। চাচার কাছ থেকে ৬৫ শতাংশ
জমি লিজ নিয়ে শুরু করেন কমলার আবাদ। মাত্র দুই বছরের মাথায় তার বাগানে আশানুরূপ কমলার
ফলন পেয়ে খুশি আলমগীর।
তিনি জানান, কৃষি বিভাগ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা পেলে আরো
বেশি আবাদ করতে পারবেন। স্থানীয় চাষিরা বলেন, এই এলাকায় কমলা চাষ করা সম্ভব। আলমগীর মিয়ার বাগানে যেভাবে কমলার ফলন
হয়েছে তাতে আমাদের বিশ্বাস হচ্ছে কমলা চাষ করে সফলতা পাওয়া যাবে।
ক্রেতারা জানান, এসব কমলা সুস্বাদু ও বিষ মুক্ত হওয়ায় এর চাহিদা
অনেক বেশি। বাগান থেকেই প্রতি কেজি দুশ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ বলেন, এই অঞ্চলে কমলার আবাদ
বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছি। এছাড়া কৃষি বিভাগের মাধ্যমে এই
কমলার চাষ বৃদ্ধিতে এই অঞ্চলে কমলার আবাদ বৃদ্ধির জন্য প্রদর্শনী দেয়া হবে।










