নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকায় জ্বর সর্দি কাশি নিয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। যুবকের বয়স ৩৮ বছর। গতকাল সোমবার রাত ১২টায় তার মৃত্যুর পর পরিবার থেকে সিটি কর্পোরেশন ও সিভিল সার্জন অফিসকে জানানো হয়। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে ওই বাড়িতে সিটি কর্পোরেশনের মেডিকেল টিম যায়। বেলা ২টায় নমুনা সংগ্রহের জন্য লোক পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন ইমতিয়াজ আহমেদ।
এদিকে পরিবারের অভিযোগ রাত ১২টায় ওই যুবকের মৃত্যুর পর সিটি কর্পোরেশন ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বারবার ফোন করা হলেও সকাল ১১টার আগে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোস্তফা আলী বলেন, খবর পেয়ে সিটি কর্পোরেশনের মেডিকেল টিম মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা করে। আমাদের সব কিছু গুছিয়ে আসতে একটু দেরি হয়েছে। পরে বেলা ২টার পর সিভিল সার্জনের টিম শহরের পাইকপাড় কবরস্থানে গিয়ে ওই যুবকের নমুনা সংগ্রহ করে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, করোনার উপসর্গ নিয়ে যুবকের মৃত্যু হলে ভয়ে কেউ মরদেহের সামনে যায়নি। পরে সিভিল সার্জন অফিসে খবর দেয়া হলে তারাও আসতে বিলম্ব করলে সিটি কর্পোরেশনকে জানানো হয়। তারা এসে মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা করেন। তারা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
ওই যুবকের পরিবার জানিয়েছে, ১০ দিন ধরে তিনি জ্বর, সর্দি-কাশিতে ভুগছিলেন। বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও কেউ তাকে ভর্তি করাতে রাজি হয়নি।
নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, দুপুরে আমাদের টিম গেছে নমুনা সংগ্রহ করতে। এতো দেরিতে নমুনা সংগ্রহ করা হলো কেন- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, এমন উপসর্গের মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করার ব্যবস্থা আমাদের নেই। তারপরও আমরা লোক পাঠিয়েছি।









