নাটোরের বড়াইগ্রামে অপহূত প্রতিবন্ধী শিশু আলহাজ প্রামাণিককে (৮) ঢাকার রামপুরা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় কামরুল হাসান নামে এক অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জব্দ করা হয়েছে অপহরণ কাজে ব্যবহূত একটি প্রাইভেটকার।
গতকাল দুপুরে এ নিয়ে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা।
তিনি বলেন, ২১ আগস্ট বড়াইগ্রাম উপজেলার বাগডোবা গ্রাম থেকে অপহূত হয় প্রতিবন্ধী শিশু আলহাজ প্রামাণিক।
পরে একটি ফোন নম্বর থেকে শিশুটির পিতার কাছে ৪০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
এ নিয়ে বড়াইগ্রাম থানায় একটি মামলা করা হয়।
পরে জেলা পুলিশের পাঁচটি টিম বগুড়া ও ঢাকার রামপুরা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
সোমবার সকালে ঢাকার রামপুরা এলাকা থেকে অপহূত প্রতিবন্ধী শিশু আলহাজ প্রামাণিককে উদ্ধার করা হয়।
এ সময় কামরুল হাসান নামে এক অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সুপার জানান, অপহরণকারী কামরুল ইসলাম শিশু আলহাজ প্রামাণিকের চাচাতো মামা হয়।
দুই বছর আগে কামরুল ৬ লাখ টাকা নিয়ে এক প্রবাসী মেয়েকে বিয়ে করে।
পরে প্রবাসী মেয়েটি আত্মহত্যা করে।
আত্মহত্যা প্ররোচণায় মামলায় এক মাস আগে জেলহাজতে যায় সে।
উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া বড়াইগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে কামরুল হাসান অপহরণ করে হাটিকুমরুল পর্যন্ত পৌঁছে দেয়।
এরপর সেখান থেকে রুবেল হোসেন নামের এক যুবক শিশুটিকে ঢাকার রামপুরা এলাকায় তার শ্যালকের বাড়িতে রাখে।
সকল প্রযুক্তির সহায়তায় আমরা শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে পেরেছি।
ঘটনার সাথে জড়িত রুবেল হোসেনকে আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক যুবায়ের, বড়াইগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল ইসলাম, বড়াইগ্রাম থানার ওসি নজরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।









