‘টোকেনিজমকে’ বাদ দেয়া অতীব জরুরি। সেটি হোক সভা, সমাবেশ, কমিটি-সমিতি অথবা সংসদ। আপনি দেশের যেকোনো জায়গায় গেলে অবশ্যই দেখতে পাবেন, নারীরা শুধু ঘরের ভেতরে সীমাবদ্ধ নয়। একটু সুযোগ আর সহযোগিতা পেলে দেশ গঠনে নারীরাও আপন যোগ্যতায় দাপটের সঙ্গে অবদান রাখছে। তবে এটি স্বীকার করা অত্যাবশ্যক। নারী কিন্তু ঘরে থেকেও বিশ্বমঞ্চে নিজেকে মেলে ধরছে স্বীয় নৈপুণ্য। স্মরণে রাখা বাঞ্ছনীয় যে নারীর প্রতি বারবার ঘটে যাওয়া অবমাননা, লাঞ্ছনা ও অশ্রদ্ধা যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে। সুষ্ঠু বিচার যেন নারীরাও পেতে সক্ষম হয়, রাষ্ট্র যেন কোনোভাবে দায় এড়িয়ে না যায়।

পার্বত্য চট্টগ্রামের বাসিন্দা হিসেবে আমার বক্তব্য হলো এ এলাকাকে শুধু পর্যটন খাতে এগিয়ে নিলে হবে না। এখানে অনেক আদিবাসী জাতিসত্তা বসবাস করে। তারাও যেন দেশের নাগরিক ও আদিবাসী জাতিসত্তার অধিকার নিয়ে সগর্বে বাঁচতে পারেন। এটি মনে রাখা বাহুল্য যে পাহাড়ের মানুষও নানাভাবে দেশ-বিদেশে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছে। অথচ কোনো কোনো জায়গায় এখনো পাহাড়ে নেটওয়ার্ক ও বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি। শিক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক। এখানকার শিক্ষা-স্বাস্থ্য-যাতায়াত ব্যবস্থাকে কীভাবে আরো বেগবান করা যায়, সে ব্যাপারেও আগামীর নেতাদের দৃষ্টি রাখা বড্ড প্রয়োজন।