করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে টানা সাত মাস বন্ধ থাকার পর বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়ার কথা রয়েছে। এ অনুমোদন পেলে ১ নভেম্বর থেকেই সুন্দরবনে পর্যটকরা প্রবেশ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার।
উপমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন হলে ১ নভেম্বর থেকে সুন্দরবনে পর্যটকরা যেতে পারবেন। সেক্ষেত্রে কোনো যানবাহনে ৫০ জনের বেশি পর্যটক কেউ বহন করতে পারবেন না। আর ট্যুর অপারেটরদের করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ সরকারের যাবতীয় শৃঙ্খলা অনুসরণ করতে হবে।
ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবনের সভাপতি মো. মইনুল ইসলাম জমাদ্দার এ ব্যাপারে বলেন, কুয়াকাটাসহ দেশের প্রায় সব পর্যটন কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে। সুন্দরবন খুলে দিলে কোনো সমস্যা নয়, বরং সরকারের রাজস্ব আয় হবে। সুন্দরবনকেন্দ্রিক ৭০টি ট্যুর কোম্পানির অর্ধশত জাহাজের কয়েক হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রায় সাত মাস ধরে বেকার; চরম আর্থিক সংকটে রয়েছেন। মাত্র তিন-চার মাস সুন্দরবনের পর্যটন মৌসুম। এরপর সারা বছর বসিয়ে রেখে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন গুনতে হয়। এ মৌসুমে পর্যটন বন্ধ থাকলে সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন শিল্পটি বিধ্বস্ত হবে।
উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিস্তার রোধে গত ১৯ মার্চ পুরো সুন্দরবনে পর্যটকদের যাতায়াত ও নৌযান চলাচল সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সুন্দরবনের নয়টি পর্যটন এলাকায় পর্যটন মৌসুমে (নভেম্বর থেকে মার্চে) কোনো কোনো দিন ৪৫ হাজারেরও বেশি মানুষ আসে।










