পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস (বিএসআরএম) লিমিটেডের প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডার আলী আসগর বদরুদ্দিন আফ্রিকাওয়ালা কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কিনেছেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ২০ মার্চ তিনি এ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
২০১৫ সালে তালিকাভুক্ত বিএসআরএম লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৯৮ কোটি ৫৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩ হাজার ৬৯৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ২৯ কোটি ৮৫ লাখ ৮৪ হাজার ৬২৬। এর মধ্যে ৪৭ দশমিক ১২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। এছাড়া ১৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ১৭ দশমিক ২৯ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ২০ দশমিক ৮১ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে। গত এক বছরে বিএসআরএম লিমিটেডের শেয়ারের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ৯০ টাকা ও ৯৪ টাকা ৮০ পয়সা।
চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ২৫ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময় শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান ছিল ৩ টাকা ৬৯ পয়সা। গত ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৪৪ টাকা ২২ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৯ টাকা ৭৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১০ টাকা ৩৪ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪০ টাকা ৪৬ পয়সায়, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৩৪ টাকা ২৯ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য ৪০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বিএসআরএম লিমিটেড। এর বাইরে আলোচ্য হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি।










