১২ বছর পর গজমহল ট্যানারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো দ্বিতীয় পুনর্মিলনী ও বর্ণিল অনুষ্ঠান। শনিবার (২৯ জুন) ‘পুরোনো দিনের স্মৃতিকে হৃদয়ে জড়িয়ে যাই’— এ স্লোগান সামনে রেখে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠান হয়।
পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে ১৯৯৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত শিক্ষার্থী হিসেবে অধ্যয়নরত প্রায় ৫০০ জন প্রাক্তন শিক্ষার্থী অংশ নেন। শুরুতে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। এরপর শিক্ষার্থীরা শুভেচ্ছা বিনিময়, স্মৃতিচারণা, সম্মাননা প্রদান, মধ্যাহ্নভোজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র্যাফেল ড্র ও কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধান শিক্ষিকা সুফিয়া খাতুনকে সম্মাননা প্রদান। তিনি বলেন, ‘আমি আমাদের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গর্ব বোধ করি। তারা স্কুলের সুনাম উজ্জ্বল করছে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুগান্তর পত্রিকার ডেপুটি চিফ রিপোর্টার ও স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, ড্রিম ওয়ার্ল্ড গ্রুপের এমডি মো. আবুল হাশেম, হাইটেক লেদার কমপ্লেক্স লিমিটেডের এমডি মো. মোজাফফর হোসেন (মুজি), ডিরেক্ট ট্যানারি পদপ্রধান মো. ইব্রাহিম ভুঁইয়া ও স্টোক লট লেদারের প্রতিষ্ঠাতা মো. ওয়াদুদ আলী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদ ও তানজীনা আফরিন তন্বী।
বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অতিথিরা অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন। সাবেক শিক্ষক আব্দুল হক স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘এক সময় মাত্র ৩৮ জন শিক্ষার্থী ছিল এই বিদ্যালয়ে। এখন সেখানে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়ছে— এটাই আমাদের সাফল্য।’
অনুষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. রাকিব হোসেন বলেন, ‘বন্ধুদের মিলনমেলা সত্যিই অন্যরকম অভিজ্ঞতা। স্কুল জীবনের দিনগুলো নতুন করে মনে পড়ছে।’
১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয় এক সময় অনেক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেও এখন উন্নতির পথে রয়েছে। পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সাবেক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের অগ্রগতিতে অবদান রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। —বিজ্ঞপ্তি










