তথ্যানুসারে, আব্দুল ওয়াহেদ তার স্ত্রী জাহেদা ওয়াহেদ খানকে এ শেয়ার উপহার হিসেবে দেবেন। ৩ জুন থেকে পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ডিএসইর ট্রেডিং সিস্টেমের বাইরে এ শেয়ার হস্তান্তর সম্পন্ন হবে। জাহেদা ওয়াহেদ ব্যাংকটির একজন সাধারণ বিনিয়োগকারী।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮০ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৩৭ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা ব্যাংকের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ২১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৬৪ পয়সায়।

২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ঢাকা ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৬৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৫৪ পয়সায়।

২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ঢাকা ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল একই। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ২৬ পয়সায়।

২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগাকারীদের ৬ শতাংশ নগদ ও ৬ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ঢাকা ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ২৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৬৫ পয়সায়।

ঢাকা ব্যাংক পিএলসির সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।

২০০০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ঢাকা ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৫৬ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ২১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০৫ কোটি ৬৯ লাখ ৩২ হাজার ৩৪৯। এর ৪৪ দশমিক ২৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১০ দশমিক ৯৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।