নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস কর্তৃক এস এইচ এস এস অ্যালামনাই কলোকুইয়াম সিরিজের দ্বিতীয় সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে এনএসইউর তিনজন কৃতি প্রাক্তন শিক্ষার্থী তাদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন।

ইমত্রিতা হোসেন ইলমা, এনএসইউর আইন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, ‘বাংলাদেশে ইকোসাইড একটি অপরাধ হিসেবে একটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নাকি আইনি অসাধ্যতা?’ শীর্ষক গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। সৈয়দ শাহ নেওয়াজ মহসিন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্সের (এসআইপিজি) সাবেক শিক্ষার্থী উপস্থাপন করেন ‘ব্রিজিং দ্য গ্যাপ-ফ্রম ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার’ শীর্ষক গবেষণাপত্র। আনিকা আফরিন, ইংরেজি ও আধুনিক ভাষা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী, তিনি উপস্থাপন করেন ‘দ্য গ্রাস ইজ নট অলওয়েজ গ্রিনার: নেভিগেটিং ইএফএল টিচার্স ইমোশন্স অ্যান্ড টেনশনস’ শীর্ষক গবেষণাপত্র।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির পলিটিক্যাল সায়েন্স বিভাগের প্রফেসর ড. মো. নুরুজ্জামান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইংরেজি ও আধুনিক ভাষা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জামান। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন ও আইন বিভাগের অধ্যাপক মো. রিজওয়ানুল ইসলাম শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন এবং অতিথিদের গবেষণাপত্রের ব্যাপারে সংক্ষেপে আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানে এসএইচএসএস অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। আনিকা আফরিন তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের টারশিয়ারি পর্যায়ের ইংরেজি শিক্ষকদের পেশাগত চ্যালেঞ্জ ও আবেগজনিত সমস্যাগুলো তুলে ধরেন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন। ইমত্রিতা হোসেন ইলমা বলেন, আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ইকোসাইডের অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া সম্ভব এবং এটি একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। সৈয়দ মহসিন একাডেমিক প্রস্তুতি ও চাকরির ক্ষেত্রের মধ্যকার ব্যবধান দূর করার বিষয়ে আলোচনা করেন এবং শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক ও স্থানীয় চাকরির বাজারে নিজেদের প্রস্তুত করতে উৎসাহিত করেন।

প্রেজেন্টেশন শেষে প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা গবেষণা বিষয়ক নানা আলোচনায় অংশ নেন। অধ্যাপক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান আলোচকদের গবেষণার ওপর মূল্যবান মতামত দেন। অনুষ্ঠানে অধ্যাপক রিজওয়ানুল ইসলাম আলোচকদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। —বিজ্ঞপ্তি