চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনের কারণে দেশব্যাপী ভয়াবহ অস্থিরতা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারফিউ জারি করে দেশব্যাপী সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় রবি ও সোমবার নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি বন্ধ রয়েছে সব ধরনের ইন্টারনেট পরিষেবাও। এসব কারণে আজ ও আগামীকাল দেশের পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকবে।
দেশব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকার কারণে কার্যত ডিজিটাল মাধ্যমে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এ অবস্থা দীর্ঘ হলে পুঁজিবাজারে লেনদেন চালু থাকবে কিনা এ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ প্রথমে লেনদেন চালু রাখার বিষয়ে আশাবাদী ছিল। তবে গতকাল থেকে দেশব্যাপী কারফিউ জারির কারণে পরিস্থিতি বদলে যায়। কারফিউর মধ্যে বিনিয়োগকারীদের পক্ষে ব্রোকারেজ হাউজে এসে লেনদেন করা সম্ভব হবে না। তাছাড়া পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদেরও অফিসে আসার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হতো। ইন্টারনেট না থাকার কারণে ব্রোকারেজ হাউজের সব শাখায় লেনদেন চালু রাখা সম্ভব হতো না। এছাড়া মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে লেনদেন করা সম্ভব হতো না। এমন পরিস্থিতিতে গতকাল বিএসইসি, স্টক এক্সচেঞ্জ ও সিডিবিএলের কর্মকর্তারা পুঁজিবাজারে লেনদেন চালু রাখার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। এক পর্যায়ে একদিনের জন্য লেনদেন বন্ধ রাখার পক্ষেই মত আসে।










